বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এবিএস-সিবিএন নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, রদ্রিগোর ঘনিষ্ঠ সহযোগী সিনেটর ক্রিস্টোফার বং গো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সারার রানিং মেট হবেন। ইতিমধ্যে তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনের জন্য তাঁর প্রার্থিতার ফরম পূরণ করেছেন।
অপরাধ দমন ও মাদকবিরোধী লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৬ সালে ক্ষমতায় আসেন রদ্রিগো। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁর শাসনামলে ফিলিপাইনে মাদকবিরোধী যুদ্ধের নামে ছয় হাজারের বেশি মানুষকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ফিলিপাইনের সংবিধান অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট হিসেবে শুধু এক মেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে পারেন। সে অনুযায়ী দ্বিতীয় দফায় প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ নেই রদ্রিগোর।

সম্প্রতি রদ্রিগো সংবিধানের ফাঁকফোকর কাজে লাগিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে গতকাল তিনি সেই সিদ্ধান্ত থেকেও সরে আসার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষে রাজনীতিতে আর সক্রিয় না থাকার ঘোষণা দেন।

রদ্রিগোর মেয়ে সারা প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে পারেন বলে আগে থেকেই গুঞ্জন ছিল। গতকাল রদ্রিগোর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণার পর এই গুঞ্জন আরও জোরালো হয়ে ওঠে। এর মধ্যে এবিএস-সিবিএন জানায়, রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই এক সংবাদকর্মীকে সাক্ষাৎকার দেন রদ্রিগো।

রদ্রিগোকে ওই সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, এটা কি স্পষ্ট যে সারা-গো জুটি নির্বাচন করছেন?
জবাবে রদ্রিগো বলেন, হ্যাঁ, সারা-গো।

একই সাক্ষাৎকারে রদ্রিগোর কাছে জানতে চাওয়া হয় যে, তাঁর মেয়ে কবে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থিতার জন্য আবেদন করবেন? জবাবে রদ্রিগো বলেন, তিনি এ বিষয়ে সত্যিই জানেন না। এ ব্যাপারে তাঁর একেবারেই কোনো ধারণা নেই।

এরপর রদ্রিগোর কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি তাঁর মেয়েকে প্রেসিডেন্ট পদে লড়ার জন্য অনুমতি দিয়েছেন কি না? জবাবে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আসলে আমরা রাজনীতি সম্পর্কে কথা বলি না। আমাদের মধ্যে কখনোই রাজনীতি নিয়ে আলাপ হয়নি। আমি বলব, এটা ভালোর জন্যই করা হয়েছে।’

রদ্রিগোর মন্তব্যের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে তাঁর মেয়ে সারার মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ওই মুখপাত্র বলেন, ‘স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে যতটুকু খবর প্রকাশ হয়েছে, আমি ততটুকুই জানি। এ ব্যাপারে আমাদের বলার কিছু নেই।’

একই প্রসঙ্গে বং গোর সঙ্গে যোগাযোগ করে রয়টার্স। কিন্তু তাঁর কাছ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া মেলেনি।

সারা বর্তমানে ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় দাভাও শহরের মেয়রের দায়িত্বে আছেন। গত মাসে সারা বলেন, তিনি ও তাঁর বাবা মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে তাঁদের দুজনের মধ্যে একজন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

চলতি বছর যতগুলো জনমত জরিপ হয়েছে, তার সব কটিতেই সারা এগিয়ে রয়েছেন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন