বিজ্ঞাপন

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ১০ মে থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি বিমান হামলায় ২২৭ জন নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৪ জন শিশু।

ইসরায়েলি পুলিশ বলছে, এ সময়ে ফিলিস্তিনের রকেট হামলায় ১ শিশুসহ ১২ জন নিহত হয়েছে।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর দাবি, তারা শুধু সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করেই এ ধরনের হামলা চালাচ্ছে।

দেইর-এল-বালা এলাকায় সাগরতীরে ছিল ইয়াদ সালেহর বাড়ি। বাড়িটির সব সদস্যের মরদেহ এখন মর্গে। ভাই ওমর সালেহ (৩১) জানান, ইয়াদ সালেহ ১৪ বছর ধরে হাঁটতে পারতেন না। তিনি কোনো যুদ্ধ বা সংঘর্ষের সঙ্গে যুক্ত নন। তিনি বলেন, ‘আমার ভাই কী করেছিল? তিনি তো হুইলচেয়ারে বসা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভাইয়ের মেয়ে কী করেছে? তাঁর স্ত্রী কী করেছে। তাঁরা তো মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করছিল।’

ওমর সালেহ আরও বলেন, তাঁর ভাই ইয়াদ সালেহ বেকার। তিনি মা ও তিন ভাইয়ের সঙ্গে একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। তাঁরা জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন।

গাজার উপস্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউসেফ আবু আল রশিদ বলেন, ‘ঘরের মধ্যে নির্দোষ ব্যক্তিদের হত্যা করা বড় অপরাধ। আর কত মৃত্যু হলে বিশ্বের বিবেক জেগে উঠবে?’

শুধু ইয়াদ সালেহ নন, এ রকম হামলার শিকার হতে হয়েছে অনেক গাজাবাসীকে। ৫৮ বছরের উম ইয়াদের বাড়িতে চালানো হামলায় তাঁর ছেলে নিহত হয়। বাড়িতে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান উম ইয়াদ।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন