বিজ্ঞাপন

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংঘর্ষ গাজার পর পশ্চিম তীরে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর কমপক্ষে ১০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে প্রায় ১০০ জন। এ ছাড়া ৯ জন ইসরায়েলি নিহত হয়েছে এ সংঘর্ষে।

দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সময় ইসরায়েলি বাহিনী রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাসের শেল ও গুলি ছুড়েছে এবং ফিলিস্তিনিরা পেট্রলবোমা ছুড়েছে। এ ছাড়া গাজাতেও হামলা অব্যাহত রেখে ইসরায়েল। দেশটির সেনাবাহিনী আজ বলেছে, গতকাল শুক্রবার রাতভর গাজায় হামলা চালানো হয়েছে।

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সংঘর্ষের শুরু গত সপ্তাহে। জেরুজালেমের আল-আকসায় পবিত্র জুমাতুল বিদা আদায়কে কেন্দ্র এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। বলা হচ্ছে, বিগত কয়েক বছরের মধ্যে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বড় সংঘর্ষের ঘটনা। বড় ধরনের সংঘর্ষের সূচনা হয় গত সোমবার পূর্ব জেরুজালেমে। সেই সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।

ইসরায়েল তার হামলার বড় লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেছিল ফিলিস্তিনের পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা, নিরাপত্তা বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীর ভবন। এরপর গাজায় একটি শরণার্থীশিবিরে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

এসব হামলা থেকে বাঁচতে গাজার উত্তরাঞ্চলের জাতিসংঘের পরিচালিত স্কুলে আশ্রয় নিচ্ছে সাধারণ মানুষ। জাতিসংঘ বলেছে, ইসরায়েলের হামলা থেকে বাঁচতে প্রায় ১০ হাজার ফিলিস্তিনি বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে।

ফিলিস্তিনিতে হামলা বন্ধে বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠন আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও এমন আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, দেশটিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যা করা দরকার, তা–ই করা হবে।

এদিকে বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, সোমবারে ওই সংঘর্ষের সূচনার পর থেকে এ পর্যন্ত দুই হাজার রকেট ছোড়া হয়েছে ফিলিস্তিন থেকে। এসব হামলায় এক সেনা, এক শিশুসহ ৯ জন নিহত হয়। আর আহত হয় প্রায় সাড়ে ৫০০ জন। এসব হামলার জবাবে ৮০০টি স্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন