বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলার পর আফগানিস্তানে অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদেশগুলো। উৎখাত করা হয় তালেবান সরকারকে। টানা ২০ বছর অভিযান শেষে চলতি বছরের ৩১ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনাদের প্রত্যাহার করা হয়। মাঝের এই সময়ে দেশটিতে বিদেশি সেনাবাহিনী ও সংস্থার হয়ে দোভাষীর কাজ করেন অনেক আফগান নাগরিক।

নেদারল্যান্ডসের হয়ে কাজ করা ১০ জন দোভাষীকে তালেবান চিঠি পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে এনওএস। চিঠিগুলোতে তালেবানের ব্যবহৃত সিলমোহর ছিল। চিঠি পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একজন আফগানিস্তানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পুলিশ সংস্থা ইউরোপোলের হয়ে কাজ করতেন। তালেবানের দাবি, ওই দোভাষী বিদেশিদের কাছ থেকে অর্থ নিয়েছেন, যা ‘অসম্মানজনক’।

এদিকে আরেকজনকে লেখা চিঠিতে তালেবান বলেছে, ‘আমরা প্রতিশোধ নেব। আমরা যদি আপনাদের না পাই, তাহলে আপনাদের কাছের মানুষের সঙ্গে বোঝাপড়া করা হবে।’ তালেবান বলছে, তাদের বেশ কয়েকজন যোদ্ধার মৃত্যুর জন্য দায়ী ছিলেন ওই দোভাষী।

১৫ আগস্ট ক্ষমতায় আসার পর নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তালেবান। ক্ষমতায় আসার পর তারা বিদেশিদের হয়ে কাজ করা দোভাষীদের আফগানিস্তান ছেড়ে না যেতে আহ্বান জানায়। এমনকি তাঁদের কোনো ক্ষতি করা হবে না বলে আশ্বাস দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, আফগানিস্তানের সাবেক সরকারের কর্মকর্তা ও সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে তালেবান।

তবে তালেবানের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে কাজের মিল তেমন দেখা যায়নি। নানা বিষয়েই তারা প্রতিশ্রুতির বিপরীতে হেঁটেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিদেশি সেনাদের হয়ে কাজ করা দোভাষীদেরও তালেবান খুঁজে বের করছে বলে উঠে এসেছে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন