বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দীর্ঘদিন ধরে নেপালের রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা চলছে। নিজ দলে কোন্দলের মুখে গত বছরের ডিসেম্বরের দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পার্লামেন্ট ভেঙে দেন। বিষয়টি আদালতে গড়ায়। আদালত জানান, ওলির এই সিদ্ধান্ত সংবিধানপরিপন্থী। আদালতে নির্দেশে আবারও বহাল করা হয় পার্লামেন্ট।

এরপর পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে হেরে যান ওলি। কিন্তু বিরোধীরাও পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী পদে টিকে যান ওলি। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি। সরকার ও দলে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে গত মে মাসে আবারও পার্লামেন্ট ভেঙে দেন ওলি। কিন্তু দেশটির আইনপ্রণেতারা এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। পরে ওলির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যান আইনপ্রণেতা ও অধিকারকর্মীরা।

আইনপ্রণেতাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার আদালত বলেন, ওলির সরে যাওয়া উচিত। আর বিরোধী নেতা শের বাহাদুরকে আজ বিকেলের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী করা উচিত। কারণ, তিনি পার্লামেন্টে তাঁর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পেরেছেন। আদালতের এই আদেশ মেনেই দেশটির পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শের বাহাদুর দেউবাকে নিয়োগ দিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট।

১৯৯৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথমবারের মতো নেপালের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন শের বাহাদুর দেউবা। এরপর বিভিন্ন সময় আরও তিন দফায় তিনি এই দায়িত্ব সামলেছেন। সর্বশেষ ২০১৭ সালের জুন থেকে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নেপালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। এবার পঞ্চম দফায় দেশটির শাসন বিভাগের শীর্ষ পদে বসতে যাচ্ছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেপালের রাজনীতিতে বিদ্যমান অচলাবস্থা নিরসনের পাশাপাশি করোনা মহামারির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে ৭৫ বছর বয়সী শের বাহাদুরকে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন