বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নারায়ণকাজি শ্রেষ্ঠা বলেন, ‘আমরা অনেকটা সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলাম। কিন্তু তিনি আমাদের চিঠির জবাব দেননি। তাই দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী ক্ষমতাবলে তাঁর বিষয়ে সবশেষ সিদ্ধান্তটি (বহিষ্কার) নেওয়া হয়।’

গত সপ্তাহে রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে অনুষ্ঠিত দলের এক সমাবেশে দুই জ্যেষ্ঠ নেতা হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ওলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর দলীয় সদস্যপদ খারিজ করা হবে।

ওলি বর্তমানে নেপালের তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।

গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী ওলির সুপারিশে প্রেসিডেন্ট বিদ্যাদেবী ভান্ডারি দেশটির পার্লামেন্ট ভেঙে দেন। একই সঙ্গে নেপালের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দেন, নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক বছর আগে দেশটিতে আগামী ৩০ এপ্রিল ও ১০ মে দুই দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক সংকটে পড়ে নেপাল।

মূলত, এনসিপির মধ্যে বিরোধের জেরে পার্লামেন্ট ভেঙে আগাম নির্বাচন ঘোষণার পদক্ষেপটি আসে।

এনসিপি কার্যত দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এক পক্ষে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ওলি। অন্য পক্ষে আছেন পুষ্প কমল দহল। ২০১৮ সালে ওলির সিপিএন-ইউএমএল ও দহলের সিপিএন-মাওবাদী একীভূত হয়ে গঠিত হয় এনসিপি।

নেপালে রাজনৈতিক সংকট মেটাতে দেশটিতে প্রতিনিধিদল পর্যন্ত পাঠায় চীন। কিন্তু দেশটির রাজনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন