বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ-সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্বের ১৭টি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের অনুসন্ধান গত জুলাইয়ে প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, বিভিন্ন দেশে সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিক, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মীদের ফোনে আড়ি পাততে পেগাসাস স্পাইওয়্যারটি ব্যবহার করা হয়েছিল।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে নেওয়া লাইসেন্সের আওতায় এনএসও গ্রুপ তাদের প্রযুক্তি পণ্য বিদেশি বিক্রি করে থাকে।

এনএসও গ্রুপের রপ্তানি করা সফটওয়্যারের অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কোম্পানির বিষয়ে তদন্ত শুরু করে। তবে এ তদন্তের কোনো ফলাফল এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হয়নি। এ ঘটনার পর এনএসওর প্রযুক্তি পণ্য রপ্তানি সীমিত করে দেওয়া হবে কি না, সে ব্যাপারেও কোনো ইঙ্গিত দেয়নি ইসরায়েল।

গতকাল শনিবার জেরুজালেমে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার লাপিড জানান, এনএসও একটি বেসরকারি কোম্পানি। এ কোম্পানি ইসরায়েল সরকারের কোনো প্রকল্প নয়। তাই ইসরায়েল সরকারের নীতির সঙ্গে এনএসওর কোনো সম্পর্ক নেই।

ইয়ার লাপিড আরও জানান, তিনি মনে করেন না যে বিশ্বে এমন অন্য কোনো দেশ আছে, যেখানে সাইবার যুদ্ধের ব্যাপারে ইসরায়েলের মতো কঠোর বিধিবিধান রয়েছে। তাঁরা এ বিধিবিধানের বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখবেন।

এনএসওকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দপ্তরের কালো তালিকাভুক্ত করার ঘোষণার পর এ ব্যাপারে এই প্রথম ইসরায়েলের জ্যেষ্ঠ কোনো মন্ত্রী প্রকাশ্যে মন্তব্য করলেন।

এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা বিশ্বের কর্তৃত্ববাদী সরকারের কাছে তাদের ফোন হ্যাকিং প্রযুক্তি বিক্রি করছে।

এনএসওর ভাষ্য, তারা তাদের পণ্য কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার কাছে বিক্রি করে। পণ্যের অপব্যবহার কমাতে তারা পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। যেসব সরকারি সংস্থা (গ্রাহক) এনএসওর পণ্যের অপব্যবহার করেছে, তাদের সঙ্গে তারা চুক্তি বাতিল করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে তারা হতাশ।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন