বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবানের প্রথম শাসনামলে কঠোর শরিয়াহ আইন চালু করায় মন্ত্রণালয়টির বেশ দুর্নাম রয়েছে। সাধারণত আফগানিস্তানের নারীরা সব সময় শরীর ঢেকে চলাফেরা করেন। কিন্তু এরপরও মঙ্গলবার তালেবান এ ধরনের বিবৃতি কেন দিয়েছে, সেটি জানা যায়নি।

বিবৃতির বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাদেক আকিফ মুহাজির বলেন, তাঁরা (নারীরা) চাইলে তাঁদের মতো করে হিজাব পরিধান করতে পারবেন। কিন্তু প্রথমবারের শাসনামলে তালেবান যেভাবে নারীদের বোরকা পরা বাধ্যতামূলক করেছিল, এবারও তেমন কিছু করা হবে কি না, জানতে চাইলে মোহাম্মদ সাদেক এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

মোহাম্মদ সাদেক বলেন, নারীরা চাইলে যেকোনো ধরনের হিজাব পরতে পারবেন, এটা তাঁদের ওপর নির্ভর করবে। তবে অবশ্যই ঠিকভাবে শরীর ঢেকে রাখতে হবে, দরকার হলে কম্বলও পরতে হবে তাঁদের।

তালেবানের আগের শাসনামলে আফগান নাগরিকদের কঠোর শরিয়াহ আইন মেনে চলতে হতো। শরিয়াহ আইনের মাধ্যমে মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাস, কাজ এবং পোশাককে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল। পশ্চিমা পোশাক পরা নিষেধ ছিল। পুরুষেরা দাড়ি কাটতে পারবেন না এমন নির্দেশও দেওয়া হয় তখন। এ ছাড়া কেউ তাড়াতাড়ি নামাজে না এলে তাঁকে মারধর করা হতো।

তবে তালেবান আবার ক্ষমতায় আসার পর অনেকটা নমনীয় হতে দেখা যায়। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণের মধ্যে থেকে নারীদের অধিকার রক্ষার কথাও বলে তালেবান। কিন্তু তালেবান সেই অধিকার রাখছে না বলে অধিকারকর্মীসহ বিভিন্ন দেশ অভিযোগ করে আসছে। এমনকি নারীদের কর্মক্ষেত্রে যেতে তালেবান বাধা দিচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন