বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইয়াপের তথ্য অনুযায়ী, আগামীকাল সোমবার ফিলিপাইনের নৌবাহিনীর একটি জাহাজ ত্রাণ নিয়ে বোহোলের উদ্দেশে রওনা করবে।
ঘূর্ণিঝড় রাইয়ের আঘাতে সিয়ারগাও, দিনাগাত ও মিন্দানাও দ্বীপেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোয় সেনাবাহিনী, পুলিশ, কোস্টগার্ড ও দমকল বাহিনীর হাজারো সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাবাহিনী প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, সিয়ারগাওয়ের জেনারেল লুনা শহরে বিভিন্ন ভবনের ছাদ উড়ে গেছে, মাটিতে বিভিন্ন ধ্বংসাবশেষ পড়ে আছে। বড়দিনকে সামনে রেখে অনেক পর্যটক শহরটিতে জমায়েত হয়েছিলেন।

দিনাগাতের গভর্নর আরলিন বাগ আও গতকাল শনিবার বলেন, রাইয়ের আঘাতে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা ২০১৩ সালে আঘাত হানা শক্তিশালী ঝড় হাইয়ানের স্মৃতিকে মনে করিয়ে দিচ্ছে।

হাইয়ান হলো ফিলিপাইনে এযাবৎকালের আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। ২০১৩ সালে এ ঝড় আঘাত হানার পর ৭ হাজার ৩০০–এর বেশি মানুষ নিহত কিংবা নিখোঁজ হয়।

বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় রাইয়ের গতি কমে ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার হয়েছে। ঝোড়ো আবহাওয়ার কারণে টানা বৃষ্টি হচ্ছে এবং বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ঝড়টি দক্ষিণ চীন সাগর হয়ে ভিয়েতনামের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর একটি ফিলিপাইন। প্রতিবছর দেশটিতে গড়ে ২০টি ঝড় আঘাত হানে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন