বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, জলবায়ুসংকট নিরসনে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে কপ ২৬ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেখানে গত সোমবার বন উজাড় বন্ধে এক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বিশ্বনেতারা। সম্মেলনটি থেকে এই প্রথম বড় কোনো ঘোষণা এল।
পরিবেশমন্ত্রী সিতি নুরবায়া বকর বলেন, দেশটির প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এরপরও ইন্দোনেশিয়ার উন্নয়নকে অগ্রাধিকারের শীর্ষে রাখা হবে।

বন উজাড় বন্ধে চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন সিতি নুরবায়া বকর। সেখানে তিনি বলেন, দেশের বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদ অবশ্যই দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য কাজে লাগাতে হবে। নতুন রাস্তা নির্মাণ করতে জঙ্গল কাটার প্রয়োজন রয়েছে। প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোর আমলে যে ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে, তা কার্বন নির্গমন বা বন উজাড় বন্ধের নামে থামবে না।

বন উজাড় বন্ধে চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে তাঁরা এ নিয়ে আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন। কারণ, এর আগে ২০১৪ সালে একই ধরনের একটি চুক্তি করা হয়। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই চুক্তি বন উজাড় বন্ধে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছিল। এ নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী মহেন্দ্র সিরেগার বলেন, বন উজাড় বন্ধের ওই প্রতিশ্রুতি ছিল ‘ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর’।
ইন্দোনেশিয়া বিশাল বনাঞ্চল দিন দিন কমে আসছে। বনাঞ্চল নিয়ে নজরদারি ওয়েবসাইট ‘গ্লোবাল ফরেস্ট ওয়াচ’ বলছে, ২০০১ সালে দেশটিতে মূল বনভূমি ছিল ৯ কোটি ৪০ লাখ হেক্টর। ২০২০ সালে এসে এই বনভূমি ১০ শতাংশ কমেছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন