বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ১৬ জুন সিডনির এক লিমুজিন ড্রাইভারের শরীরে করোনার ডেলটা ধরন শনাক্ত হওয়ার পরে তা পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে দেশটি ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করছে। ঠিক এমন মুহূর্তে ওই ব্যক্তির পালানোর ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে। প্রতি সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসে বিপুলসংখ্যক করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী রাজ্য ভিক্টোরিয়া ও সাউথ অস্ট্রেলিয়াতেও ভাইরাসের প্রকোপ বেড়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার মোট আড়াই কোটি জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি মানুষের বসবাস এই তিন রাজ্যে। করোনার সংক্রমণ রোধে রাজ্যগুলোয় লকডাউন ও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গত বছর থেকেই বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ রোধে অস্ট্রেলিয়ার সব সীমান্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজনে কেউ ঢুকতে চাইলে তাঁকে নিজ খরচে দুই সপ্তাহের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হচ্ছে। সীমিতসংখ্যক সরকারি হোটেলে কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা থাকায় আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের টিকিটও বিক্রি হচ্ছে খুবই কম। এ সময় দেশে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন অনেক অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন