কয়েকটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী আবার অং সান সু চির সরকারকে উৎখাতের নিন্দা করেছে। তারা জান্তাবিরোধীদের আশ্রয় দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে। এমনকি সু চির ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গঠিত পিপলস ডিফেন্স ফোর্সকে (পিডিএফ) আশ্রয় ও অস্ত্র চালনায় প্রশিক্ষণ দিয়েছে তারা। পরে পিডিএফ জান্তার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। বিশ্লেষকদের ধারণা, পিডিএফের কার্যকারিতা সেনাবাহিনীকে বিপাকে ফেলেছে।

মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং শুক্রবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, ‘আমি জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সংলাপের জন্য আহ্বান করছি।’ সরাসরি আলোচনার জন্য জাতিগোষ্ঠীগুলোর প্রতিনিধিদের ৯ মের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে বলেন তিনি। হ্লাইং বলেন, ‘আমরা সৎ ও খোলামেলা আলোচনা করতে চাইছি, যাতে জনগণ শান্তি ও উন্নয়নের সুফল পায়।’ তবে প্রস্তাবিত আলোচনার কোনো তারিখ জানাননি তিনি।

এ সংলাপের আহ্বান এমন সময় এল, যখন জান্তা সেনা ও পিডিএফের যোদ্ধাদের মধ্যে প্রতিদিনই সংঘর্ষ হচ্ছে। গত সপ্তাহে জান্তা দাবি করে, তারা শতাধিক পিডিএফ যোদ্ধাকে পিছু হঠতে বাধ্য করেছে। যারা কাচিন ইনডিপেনডেন্স আর্মি নামে বেশি পরিচিত।

মিয়ানমারের থাইল্যান্ড সীমান্তবর্তী কায়িন রাজ্যেও বিদ্রোহী ও পিডিএফের সঙ্গে মিয়ানমারের সেনাদের তীব্র লড়াইয়ের খবর পাওয়া যায়। ওই এলাকার বিদ্রোহী গোষ্ঠী কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়নের সঙ্গে মিলে পিডিএফ যোদ্ধারা সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করে। গত মাসেই মিয়ানমারের বার্ষিক আর্মড ফোর্স দিবসের প্যারেডে মিন অং হ্লাইং শপথ নিয়েছেলেন যে সামরিক বাহিনী পিডিএফকে ‘ধ্বংস’ করবেন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন