default-image

ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে বাঁচতে নাগরিকদের ঘরেও মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে সরকার। বাসায় অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো থেকে বিরত থাকারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা করোনাভাইরাস মহামারির সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থাগুলোর একটির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ভারত। দেশটিতে সোমবার ৩ লাখ ৫২ হাজার ৯৯১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে, মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৮১২ জনের। রোগীদের সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো। অক্সিজেনের অভাব সংকটকে তীব্রতর করেছে।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ভারত সরকারের থিংকট্যাঙ্ক নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য) ডা. ভি কে পাল বলেছেন, ঘরের মধ্যে একজন কোভিড পজিটিভ ব্যক্তি থাকলে পরিবারের অন্যদের সংক্রমিত হওয়া প্রতিরোধে তাঁকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে।
‘আমি বলব যে সময় এসেছে তা না হলেও আমাদের ঘরের মধ্যে মাস্ক পরা শুরু করতে হবে। আমরা ঘরের বাইরে এটা পরতে বলতাম। কিন্তু যেভাবে সংক্রমণ ছড়িয়েছে, তাতে ঘরের মধ্যে অন্য কারও সঙ্গে বসে থাকলে সে সময়ও মাস্ক পরাটা ভালো হবে।’

প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং বাসায় অতিথি না ডাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গবেষণায় দেখা গেছে শারীরিক দূরত্ব মানা না হলে একজন ব্যক্তির কাছ থেকে ৩০ দিনে ৪০৬ জন সংক্রমিত হতে পারেন। আক্রান্ত ব্যক্তির অন্যদের কাছাকাছি আসা অর্ধেকে নামানো গেলে ওই সময়ে তাঁর থেকে ১৫ জনের মতো সংক্রমিত হতে পারেন। আর তাঁর অন্যদের সংস্পর্শে আসা ৭৫ শতাংশ কমানো গেলে এই সংখ্যা গড়ে আড়াই জনে নেমে আসে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নাগরিকদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভারতে অক্সিজেনের ঘাটতি নেই, সমস্যা পরিবহনে। এ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সরকার চেষ্টা করছে।

অক্সিজেনের যৌক্তিক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে সরকার বলেছে, শুধু চিকিৎসকের পরামর্শেই অক্সিজেন ব্যবহার এবং ওষুধ সেবন করতে হবে। অনেকে আতঙ্ক থেকে হাসপাতালের শয্যা দখল করে রাখছেন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন