মিয়ানমারের মুসলিম রোহিঙ্গারা ১০ লাখের বেশি হলেও নাগরি​কত্বের স্বীকৃতি পাননি। গত বছরের ডিসেম্বরে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ব্যাপারে মিয়ানমারকে আহ্বান জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করেছিল জাতিসংঘ। কিন্তু সেটা প্রস্তাব পর্যন্তই আছে, সমস্যার সমাধান হয়নি।

সেই সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়ার দাবিতে গতকাল বুধবার দেশটিতে বিক্ষোভ করে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা।
এরপরই রোহিঙ্গাদের সাময়িক পরিচয়পত্র প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। মিয়ানমারের মুসলিমরা ভোটে আর অংশ নিতে পারবেন না। খবর বিবিসির।
মিয়ানমারের সাবেক সামরিক জান্তা ২০১০ সালে দেশটির সাধারণ নির্বাচনে রোহিঙ্গা ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটাধিকার নিশ্চিতের জন্য ‘সাদা কাগজ’ নামের একটি প্রথা চালু করেছিল। কিন্তু বুধবার দেশটির রাজধানী ইয়াঙ্গুনের রাস্তায় শত শত বৌদ্ধ বিক্ষোভকারী দাবি করেন, ‘সাদা পরিচয়পত্রধারী’ রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক নন। তাই তাঁদের ভোট দেওয়ার অধিকারও নেই।
বিক্ষোভের পর প্রেসিডেন্ট থেইন সেইনের কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, রোহিঙ্গাসহ যাঁরা দেশের পূর্ণ নাগরিক নন, তাঁদের দেওয়া সাময়িক পরিচয়পত্রের মেয়াদ আগামী মার্চের শেষে উত্তীর্ণ হবে। মেয়াদ শেষ হলে পরিচয়পত্রধারী ব্যক্তিরা ভোট দেওয়ার অধিকার পাবেন না। 
২০১২ সালে মুসলিম এবং বৌদ্ধদের মধ্যেকার সংঘর্ষে প্রায় ২০০ জন প্রাণ হারান।

বিজ্ঞাপন
এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন