বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তালেবান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এনায়েতুল্লাহ খাওরাজমি জানান, নতুন প্রশিক্ষিত আড়াই শ সেনাসদস্যের গ্র্যাজুয়েশন উপলক্ষে এ কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়।

রয়টার্স জানায়, গতকাল কাবুলে অনুষ্ঠিত সামরিক কুচকাওয়াজে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি কয়েক ডজন এম-১১৭ সাঁজোয়া যান অংশ নেয়। মাথার ওপরে আকাশে মহড়া দেয় কয়েকটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার। অনেক সেনাকে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এম-৪ অ্যাসল্ট রাইফেল বহন করতে দেখা যায়।

তালেবান বাহিনী বর্তমানে যেসব অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করছে, তার বেশির ভাগ যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত আফগান সরকারকে সরবরাহ করেছিল ওয়াশিংটন। তালেবানের বিরুদ্ধে লড়তে একটি শক্তিশালী আফগান বাহিনী গড়ার জন্য কাবুলের সাবেক সরকারকে এই অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এখন এগুলো নিয়েই সামরিক মহড়া দিল তালেবান।

তালেবান কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাবেক আফগান সেনাবাহিনীর পাইলট, মেকানিকসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের নতুন বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। নতুন এই বাহিনীর যোদ্ধারা ইতিমধ্যে প্রচলিত সামরিক উর্দি পরতে শুরু করেছেন।

আফগানিস্তান পুনর্বাসনবিষয়ক স্পেশাল ইন্সপেক্টর জেনারেল কার্যালয় (এসআইজিএআর) গত বছর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র সরকার আফগান সরকারকে ২৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে। ২০০২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সরবরাহ করা সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে-অস্ত্র, গোলাবারুদ, যানবাহন, নাইট ভিশন ডিভাইস, উড়োজাহাজ ও নজরদারি ব্যবস্থা।

default-image

তালেবানের ক্ষমতা দখলের অভিযান চলাকালে সাবেক আফগান বাহিনীর কিছুসংখ্যক সদস্য উড়োজাহাজ নিয়ে মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পালিয়ে যান, বাকিগুলো তালেবানের হাতে যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা আফগানিস্তান ত্যাগের সময় বেশ কিছু উড়োজাহাজ, হেলিকপ্টার, সাঁজোয়া যানসহ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অকার্যকর করে ফেলে যায়।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন