তবে কবে নাগাদ স্বাক্ষরিত চুক্তিটি প্রকাশ করা হবে, বিরোধীদলীয় নেতাকে তা জানাতে অস্বীকৃতি জানান প্রধানমন্ত্রী। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে স্বাক্ষরিত একটি দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি কয়েক বছর আগে প্রকাশ করা হয়।

চীনের সঙ্গে করা এ চুক্তির একটি খসড়া গত মাসে ফাঁস হলে গোটা অঞ্চলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে এতে সলোমন দ্বীপপুঞ্জে চীনের নৌবাহিনী মোতায়েনের কথা থাকায় বিষয়টি এত গুরুত্ব পায়। চুক্তিটি ঠেকাতে কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু তারা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

এ চুক্তিকে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে করা চুক্তির ‘পরিপূরক’ বলে দাবি করেছেন সোগাভারে। তিনি বলেন, ‘আমি জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, আমাদের জাতীয় স্বার্থে তাড়িত হয়েই চীনের সঙ্গে সতর্ক থেকে চুক্তি স্বাক্ষর করেছি।’ সলোমন দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌম স্বার্থের প্রতি সম্মান জানাতে প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

‘স্বচ্ছতার অভাব’ ও চুক্তির বিষয়ে অন্য প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে পরামর্শ না করায় বুধবার সলোমন দ্বীপপুঞ্জের সমালোচনা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিস পেইন। এ চুক্তি থেকে বিরত থাকতে পরামর্শ দেওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ কূটনীতিক সলোমন দ্বীপপুঞ্জ সফর না করার বিষয়েও আত্মপক্ষ সমর্থন করেন তিনি। তার পরিবর্তে দেশটির প্রশান্ত মহাসাগরীয় মন্ত্রী জেড সেসেলজা গত সপ্তাহে সফরে যান এবং সোগাভারেকে চুক্তি স্বাক্ষর না করতে বলেন।

এদিকে সপ্তাহের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের এশিয়া-বিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তা কার্ট ক্যাম্পবেল সলোমন দ্বীপপুঞ্জে যাবেন। তার সঙ্গে থাকবেন পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলবিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অব স্টেট ড্যানিয়েল ক্রিটেনব্রিঙ্ক।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন