default-image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে বাইরে যেতে মাস্ক পরতে বলা হচ্ছে। সে মাস্ক পরার বিষয়টি নিয়ে মশকরা করতে গিয়ে ভালোমতোই বিপদে পড়েছেন দুই ইনস্টাগ্রাম তারকা। ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে। জশ পালের লিন ও লেইয়া সে নামের তাইওয়ান ও রাশিয়ার দুজন ইনস্টাগ্রাম তারকা মুখে নীল রঙের মাস্ক এঁকে বালির একটি সুপারমার্কেটে ঢোকার ভিডিও করেছিলেন। সেই ভিডিও ইনস্টাগ্রামে ছাড়ার পর তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাতে প্রশংসার বদলে দুজনের ব্যাপক সমালোচনা হয়।

যুক্তরাজ্যের দ্য ইনডিপেনডেন্ট পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এ মাসের শুরুর দিকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, কোভিড নীতিমালা ভেঙে বালির সুপারমার্কেটে ঢোকেন তাঁরা। লেইয়া মাস্ক না পরায় সুপারমার্কেটে ঢোকার সময় এক নিরাপত্তারক্ষী তাঁকে আটকে দেন। এরপর দুজন তাঁদের গাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর জশ লেইয়ার মুখে একটি সার্জিক্যাল মাস্ক এঁকে দেন। মুখে মাস্ক এঁকে নিরাপত্তারক্ষীদের ফাঁকি দিয়ে সুপারমার্কেটে ঢুকে পড়েন তাঁরা।

ভিডিও চিত্রটি পোস্ট করার পর দুজনের ব্যাপক সমালোচনা হয়। সমালোচনার মুখে ভিডিওটি ইনস্টাগ্রাম থেকে সরিয়ে ফেলতে বাধ্য হন তাঁরা। তবে জশ লিন বলেছেন, তাঁরা ইনস্টাগ্রামে তাঁদের অনুসারীদের বিনোদন দেওয়ার লক্ষ্যে কৌতুক হিসেবে ওই ভিডিও ধারণ করেন।

বিজ্ঞাপন

বালির রাজনীতিবিদ নিলুহ ডেলান্তিক ওই দুজনকে তাঁদের কর্মকাণ্ডের জন্য দেশ থেকে বের করে দেওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর এই পোস্ট সবার ব্যাপক মনোযোগ কাড়ে। বালির মর্যাদা যাতে এ ধরনের লোকজন নষ্ট না করে, তার জন্য তিনি অভিবাসনের মহাপরিচালককে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

মাস্ক নিয়ে কৌতুক করার ফল এ রকম দাঁড়াবে ভাবেননি ওই দুই ইনস্টাগ্রাম তারকা। তাঁরা দ্রুত তাঁদের প্রোফাইল প্রাইভেট মোডে নিয়ে যান। গত শুক্রবার জশ আরেকটি ভিডিও করে দুজনের পক্ষ থেকে এ ঘটনার জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন। ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্র বলছে, ওই দুজনের পাসপোর্ট ইতিমধ্যে কেড়ে নিয়েছেন বালির অভিবাসন কর্মকর্তারা।

ওই এলাকার পুলিশপ্রধান বলেছেন, ‘তাঁরা

শুধু নিয়ম লঙ্ঘন করেননি বরং মানুষকে এ

ধরনের কাজে উৎসাহিত করেছেন। তাই তাঁদের কঠোর শাস্তির জন্য জরিমানার পাশাপাশি বহিষ্কারও করা হবে।’

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন