default-image

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের নিন্দা জানাচ্ছেন বিশ্বনেতারা। তবে এ ব্যাপারে প্রতিবেশী থাইল্যান্ডের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী বললেন ভিন্ন কথা। তিনি মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থানকে দেশটির ‘অভ্যন্তরীণ’ ব্যাপার বলে অভিহিত করেছেন। আজ সোমবার ব্যাংকক পোস্ট এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায়।

থাইল্যান্ডের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী জেনারেল প্রায়ুথ ওংসুয়ানের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি আজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটা তাদের (মিয়ানমার) অভ্যন্তরীণ বিষয়।’

থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের মধ্যে ২ হাজার ৪০০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সীমান্ত রয়েছে। থাইল্যান্ডের সঙ্গে সীমান্ত ইতিমধ্যে বন্ধ করে দিয়েছে মিয়ানমার। ফলে সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ হয়ে গেছে।  

বিজ্ঞাপন

মিয়ানমারের সবশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে থাই সরকার তার অবস্থান জানিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। তবে থাইল্যান্ডের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রীর কথায় দেশটির সরকারের অবস্থান সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যায়।

অন্যদিকে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনও মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান নিয়ে একই কথা বলেছেন। এই অভ্যুত্থানকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি।

মিয়ানমারের পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুর।

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটির ক্ষমতাসীন এনএলডি সরকার উৎখাত করেছে সেনাবাহিনী। এনএলডি নেত্রী অং সান সু চিসহ তাঁর দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের গ্রেপ্তার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। মিয়ানমারে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন