বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিবিসির খবরে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার ভোররাত ৪টার দিকে দেশটির কাচিন প্রদেশের হপাকান্ত এলাকার ওই রত্নখনিতে ভূমিধসের এ ঘটনা ঘটে।

বিশ্বের রত্নপাথরের সবচেয়ে বড় উৎস হলো মিয়ানমার। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় দেশটির বিভিন্ন খনিতে একাধিকবার প্রাণঘাতী ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে।

খনি থেকে লরিতে করে নিয়ে যাওয়ার পর স্তূপ করে রাখা বর্জ্য পরিমাণে বেশি হয়ে যাওয়ায় সেগুলো ধসে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মিয়ানমারের হপাকান্ত এলাকায় খনি খননের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও স্থানীয় বাসিন্দারা নিষেধাজ্ঞা মানেন না। কর্মসংস্থানের অভাব ও আর্থিক দুরবস্থার কারণে মূলত বাধ্য হয়ে এসব লোক এ কাজ করেন। এ ছাড়া করোনা মহামারিতে তাঁদের অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে।

কয়েক দিন আগে এই হপাকান্তে অন্য একটি রত্নখনিতে ভূমিধসের ঘটনায় স্থানীয় এমন অন্তত ১০ জন আনাড়ি খনিশ্রমিক নিখোঁজ হয়েছিলেন।

২০২০ সালে হপাকান্তে স্তূপকৃত খনি বর্জ্য পাশের একটি হ্রদে ধসে পড়লে ১৬০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে। নিহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই ছিলেন অভিবাসী।

মিয়ানমারের বছরে তিন হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বেশি রত্নপাথরের বাণিজ্য হয় এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় রত্নপাথরের খনি হপাকান্ত এলাকায় অবস্থিত।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন