বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র গার্ডিয়ানকে বলেন, অ্যাসাঞ্জের সবশেষ অবস্থা নিয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন মেরিস পেইন। তিনি বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিজাবেথ ট্রাসের সঙ্গেও কথা বলেছেন। এসব বৈঠকে মেরিস পেইন আশা প্রকাশ করেন, বন্দী জীবনে অ্যাসাঞ্জের সঙ্গে মানবিক আচরণ করা হবে। তাঁকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আইনি সেবা দেওয়া হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সরকার তাঁকে এ বিষয়ে নিশ্চয়তা দিয়েছে কি না, সেটা জানা যায়নি।

চলতি সপ্তাহে ইয়াহু নিউজ জানায়, ‘ভল্ট ৭’ নামে সিআইএ-সংক্রান্ত গোপন নথি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করতে শুরু করায় ২০১৭ সালে অ্যাসাঞ্জকে অপহরণ ও প্রয়োজনে হত্যার নীলনকশা করেছিলেন সিআইএর তখনকার পরিচালক মাইক পম্পেও এবং সংস্থাটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। পরে পম্পেওকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন ট্রাম্প।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি সিআইএ। আর পম্পেও অভিযোগটি স্বীকার কিংবা অস্বীকার কোনটিই করেননি। তিনি বলেছেন, ‘ইয়াহু নিউজের সূত্র আসলে জানে না আমরা ওই সময় কী করেছিলাম।’

২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ম্যালকম টার্নবুল। অ্যাসাঞ্জকে হত্যার পরিকল্পনার খবরের প্রতিক্রিয়ায় গতকাল মঙ্গলবার তিনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়টি জানতাম না। সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর জানতে পেরেছি।’

হত্যার পরিকল্পনার খবরের প্রতিক্রিয়ায় অ্যাসাঞ্জকে সমর্থনকারী অস্ট্রেলিয়ার গ্রিন পার্টির সিনেটর জেনেট এলিজাবেথ রাইস চলমান বিচারপ্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘অ্যাসাঞ্জের দ্রুত মুক্তির জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকারের আওয়াজ তোলা ও যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ প্রয়োগের নীতি গ্রহণ করা উচিত।’

২০১০ সালে আড়াই লাখ মার্কিন কূটনৈতিক তারবার্তা ও পাঁচ লাখ সামরিক গোপন নথি ফাঁস করে হইচই ফেলে দিয়েছিল উইকিলিকস। ২০১২ সালে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নেন অ্যাসাঞ্জ। দীর্ঘ সাত বছর আশ্রিত থাকার পর ২০১৯ সালে অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করে লন্ডন পুলিশ।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন