default-image

রাজনৈতিক চাপে হংকং ছেড়ে তাইওয়ানে পালিয়ে যাওয়া পাঁচ গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারী আশ্রয়ের সন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন। গণতন্ত্রকামী কর্মীদের একটি গোষ্ঠী আজ শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে। খবর এএফপির।

ওই পাঁচজন তাইওয়ানে পালিয়ে যাওয়ার পর নতুন জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধীনে হংকংয়ে গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় শুরু করে চীন-সমর্থিত কর্তৃপক্ষ। গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক শহরটিতে গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই চালিয়ে আসা দমনাভিযানের অংশ হিসেবে শুরু হয় এ ধরপাকড়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গোষ্ঠী দ্য হংকং ডেমোক্রেসি কাউন্সিল (এইচকেডিসি) বলেছে, এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে আসা তরুণ কর্মীদের একটি দলকে স্বাগত জানিয়েছে তারা। তাদের জন্য এ যাত্রা ছিল অত্যন্ত দুরূহ ও বিপজ্জনক।

২০১৯ সালে হংকংজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করেন গণতন্ত্রপন্থীরা। ওই সময় ১১ হাজারের বেশি কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ভিন্নমতাবলম্বীদের দমনে গত বছরের জুনে হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইন কার্যকর করে বেইজিং।

এইচকেডিসির প্রতিষ্ঠাতা স্যামুয়েল চু এএফপিকে বলেন, এ কর্মীদের সবার বয়স ৩০ বছরের নিচে। তাঁরা হংকংয়ে গণতন্ত্রের দাবিতে চলমান আন্দোলনে শরিক হয়েছিলেন। এতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও বিভিন্ন ধরনের অভিযোগের সম্মুখীন হন। পরে গত বছরের জুলাইয়ে নৌযানে হংকং থেকে তাইওয়ান পালিয়ে যান তাঁরা।

বিজ্ঞাপন

স্যামুয়েল আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্রপন্থী এসব কর্মীকে স্বাগত জানাতে পেরে তিনি আনন্দিত। যুক্তরাষ্ট্রে তাঁদের আশ্রয় লাভ ও নতুন জীবন শুরু করার ব্যাপারে সহায়তা করা হচ্ছে।

গত বছরের আগস্টে তাইওয়ানের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, হংকংয়ের এ পাঁচ বিক্ষোভকারী জুলাইয়ের শেষ নাগাদ শহরটি ছেড়ে পালানোর চেষ্টাকালে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তাঁদের আটক করেছিল।

২০১৯ সালে হংকংজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করেন গণতন্ত্রপন্থীরা। ওই সময় ১১ হাজারের বেশি কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ভিন্নমতাবলম্বীদের দমনে গত বছরের জুনে হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইন কার্যকর করে বেইজিং।

জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধীন গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক ব্যক্তিসহ হংকংয়ের ১২ জন কর্মীর আরেকটি দল গত আগস্টে নৌকায় তাইওয়ানে পালানোর চেষ্টা করে। তখন চীনের কোস্টগার্ড সদস্যরা তাদের গ্রেপ্তার করেন।

গত মাসে চীনের একটি আদালত অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা ও এ উদ্যোগের আয়োজন করায় ওই ১২ জনের মধ্যে ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। কিশোর বয়সী বাকি দুজনকে হংকংয়ে ফেরত পাঠানো হয়।

খবরে বলা হয়, করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর আগে নানা কারণে হংকংয়ের অন্তত অর্ধশত সাবেক বিক্ষোভকারী রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের আবেদন জানিয়েছেন। এ ছাড়া কয়েক শ হংকংবাসী তাইওয়ানে পালিয়ে গেছেন।

বিজ্ঞাপন
এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন