বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তৃণমূল বলছে, রাহুল গান্ধী এখনো নরেন্দ্র মোদির বিকল্প মুখ হয়ে উঠতে পারেননি। মমতাকে ছাড়া ভারতে মোদিবিরোধী ফেডারেল ফ্রন্ট গঠনের যাবতীয় উদ্যোগ মুখ থুবড়ে পড়বে। কংগ্রেস খোলা মনে সাড়া দিক এই ডাকে, মেনে নিক মমতার নেতৃত্ব।

যদিও এখন ভারতের লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে মমতার দলের রয়েছে মাত্র ২২টি আসন। অথচ মমতার দলের চেয়ে বেশি আসন রয়েছে কংগ্রেস ও ডিএমকেরও। কংগ্রেসের আসন ৫২টি এবং ডিএমকের ২৪টি। তাই বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, মমতার দল চাইলেও গোটা দেশের মোদিবিরোধী রাজনৈতিক দল কি মমতার নেতৃত্ব মেনে নেবে? তবে এটাও সত্য, দেশজুড়ে এখন একটা মোদিবিরোধী হাওয়া জোরদার হচ্ছে। সেই হাওয়ার আঁচ পেয়ে মাঠে নেমেছেন মমতা। আর সেই সুযোগই নিতে চাইছে তৃণমূল।

ভারতের লোকসভার নির্বাচন হওয়ার কথা ২০২৪ সালের এপ্রিল-মে মাসে। এখনো পাক্কা আড়াই বছর বাকি। কিন্তু এর আগেই মমতার অবস্থান পাকাপোক্ত করতে চাইছে তৃণমূল। আর এ জন্য তৃণমূল লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ত্রিপুরার বিধানসভার নির্বাচন।

২০২৩ সালে সেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই রাজ্য জয়ে ও বিধানসভার ৬০ আসন পেতে নির্বাচনী ডঙ্কা বাজিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিতে চাইছে তারা।

তবে ত্রিপুরা নির্বাচন নিয়ে যে বহু ঘটনা ঘটবে, এ নিয়ে সন্দেহ নেই। বিজেপি যে এই রাজ্য হাতছাড়া করতে চাইবে না, সেটা স্পষ্ট। এ ছাড়া ত্রিপুরায় সংঘবদ্ধ হচ্ছে বাম দলও। এই বাম দলই একটানা ২০ বছর ত্রিপুরা শাসন করেছে। সর্বশেষ ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাম দলকে হারিয়ে জিতেছিল বিজেপি। এবার সেই বিজেপিকে হারানোর জন্য মাঠে নেমেছে তৃণমূল। ফলে, ত্রিপুরায় এবার ত্রিমুখী লড়াই অবশ্যম্ভাবী।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন