ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে, রোববার এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতি তুলে ধরে অরিন্দম বাগচি বলেন, দেশটির সাধারণ মানুষ বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছে। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। এ সময় শ্রীলঙ্কার জনগণের পাশে রয়েছে ভারত।

শ্রীলঙ্কায় রিজার্ভ সংকট দেখা দেওয়ার পর থেকে দেশটিতে জ্বালানি–সংকট দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া আমদানিনির্ভর ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্যের সংকট দেখা দেয়। এরপর থেকে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভের জেরে প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে পদত্যাগ করেন। এরপর রনিল বিক্রমাসিংহেকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা সরকারব্যবস্থায় পরিবর্তন চাইছেন। সেই সঙ্গে তাঁরা এটাও চাইছেন, রাজাপক্ষে পরিবারকে রাজনীতি থেকে বিদায় নেবে।

কিন্তু বিক্ষোভকারীদের এই দাবি মেনে নেননি গোতাবায়া রাজাপক্ষে। ফলে বিক্ষোভ আরও জোরাল হয়। এরপর বিক্ষোভ দমনে গত শুক্রবার কলম্বোয় কারফিউ জারি করা হয়। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা এই কারফিউ উপেক্ষা করে শনিবার গোতাবায়ার বাসভবনে হামলা চালান। ওই রাতে প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের বাড়িতেও হামলা চালানো হয়। এরপর থেকে দুই বাসভবন বিক্ষোভকারীদের দখলে রয়েছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন