সেনা মোতায়েন নিয়ে আজ একটি বিবৃতি দিয়েছে শ্রীলঙ্কার তথ্য দপ্তর। সেখানে বলা হয়, শেষকৃত্যের সময় বা এর পর যেন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সদস্যদের সহায়তা করবে সেনাবাহিনী।

এর আগে মঙ্গলবার রামবুক্কানায় সংঘর্ষের পর গতকাল বুধবার শহরটি ও এর আশপাশের ৯৫ কিলোমিটারজুড়ে কারফিউ জারি করা হয়। পরে অবশ্য আজ কারফিউ তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে শহরটির রাস্তা অস্ত্রে সজ্জিত পুলিশ সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। মঙ্গলবারের গুলি চালানোর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।

শ্রীলঙ্কায় তীব্র আর্থিক সংকটের মধ্যে চলছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ। দেশজুড়ে দেখা দিয়েছে খাবার, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সংকট। নাকাল হয়ে পড়েছে জনজীবন। এরই মধ্যে আবার এসেছে পেট্রলের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা।

আর্থিক দুরবস্থার জন্য শ্রীলঙ্কার সরকারকেই দায়ী করছেন দেশটির সাধারণ মানুষ। এর জেরে প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষের পদত্যাগ দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা। ৯ এপ্রিল থেকে রাজধানী কলম্বোয় প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বাইরে চলছে এ আন্দোলন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন