বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আন্দোলনকারীরা মঙ্গলবার রামবুক্কানার প্রধান মহাসড়ক ও রেলওয়ে লাইন অবরোধ করেন। বিক্ষোভ দমনে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ৪২ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তি দুই সন্তানের পিতা। এরপরই গতকাল রামবুক্কানায় কারফিউ জারি করা হয়।

রামবুক্কানা শহর ছাড়াও এর আশপাশের ৯৫ কিলোমিটারজুড়ে কারফিউ জারি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে বলেছেন, পুলিশের গুলির ঘটনায় তিনি ‘গভীর শোকাহত’। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সরকারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে বাধা দেওয়া হবে না। এ ছাড়া পুলিশ বাহিনী এ ঘটনার স্বাধীন ও স্বচ্ছ তদন্ত করবে বলেও জানান তিনি। পুলিশ বলছে, বিক্ষোভকারীরা একটি জ্বালানিভর্তি ট্যাংকারে আগুন দিতে গেলে তারা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়। তবে শ্রীলঙ্কার বিরোধী দল এ দাবি উড়িয়ে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে পুলিশের গুলির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কলম্বোয় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকেরা। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জুলি চাং বলেন, ‘মানুষের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার বজায় রাখতে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তদন্ত করবে হবে।’ ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ হলটন সহিংসতার ঘটনায় সমবেদনা জানিয়ে ‘সংযম’-এর আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে সংকট কাটাতে জরুরি অর্থসহায়তা পেতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দ্বারস্থ হয়েছে শ্রীলঙ্কা। সোমবার আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে দেশটি। ওয়াশিংটনে চলমান এ আলোচনা প্রসঙ্গে আইএমএফ জানায়, অর্থ ছাড়ের সুবিধা চূড়ান্ত করার আগে শ্রীলঙ্কাকে ঋণ পুনর্গঠন করতে হবে। আলোচনা এখনো ‘প্রাথমিক পর্যায়ে’ আছে উল্লেখ করে আইএমএফ জানায়, তারা দেশটির জনগণের দুর্ভোগ নিয়ে উদ্বিগ্ন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন