৩১ মার্চ: শত শত বিক্ষোভকারী প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের পদত্যাগের দাবিতে তাঁর বাসভবনে হামলার চেষ্টা করেন।

১ এপ্রিল: বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় গোতাবায়া দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেন। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার ও আটক রাখার ক্ষমতা দেন।
২ এপ্রিল: দেশজুড়ে ৩৬ ঘণ্টার কারফিউ জারি করা হয় এবং সেনা মোতায়েন করা হয়।

৩ এপ্রিল: ওই দিন গভীর রাতে শ্রীলঙ্কার মন্ত্রিসভার প্রায় সব সদস্যই ইস্তফা দেন। এতে গোতাবায়া ও মাহিন্দা কোণঠাসা হয়ে পড়েন।

৪ এপ্রিল: রাজাপক্ষের সরকার বিরোধী দলের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগির প্রস্তাব দেয়। কিন্তু বিরোধীরা রাজি হয়নি। এদিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদত্যাগ করেন।

৫ এপ্রিল: শপথ নেওয়ার পরপরই অর্থমন্ত্রী আলী সাবরি পদত্যাগ করলে প্রেসিডেন্ট গোতাবায়ার সংকট আরও ঘনীভূত হয়। সাবেক মিত্ররা পদত্যাগের আহ্বান জানানোর পর প্রেসিডেন্ট পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারান।

৯ এপ্রিল: রাজাপক্ষে সরকারের পদত্যাগের দাবিতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন হাজারো মানুষ।

১০ এপ্রিল: চিকিৎসকেরা জানান, জীবন রক্ষাকারী ওষুধের মজুত প্রায় শেষ। তাঁরা সতর্ক করেন, ওষুধের সংকটে করোনাভাইরাসের চেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

১২ এপ্রিল: সরকার ৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক ঋণ খেলাপির ঘোষণা দেয়। অতি প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শেষের দিকে বলে জানায়।

১৮ এপ্রিল: মন্ত্রিসভার নতুন সদস্য নিয়োগ। তবে নতুন সরকারে নিজের বড় ভাই মাহিন্দাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাখেন গোতাবায়া।

default-image

১৯ এপ্রিল: টানা কয়েক সপ্তাহের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

২৮ এপ্রিল: দেশব্যাপী ডাকা সাধারণ ধর্মঘটে শ্রীলঙ্কা থমকে যায়। এরপর ৬ মে আবার ধর্মঘট ডাকা হয়। এদিন রাজাপক্ষে আবার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।

৯ মে: ক্ষমতাসীন দল ও সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের পর অবশেষে মাহিন্দা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন