default-image

সিরিয়ার উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলের বিদ্রোহী–অধ্যুষিত শহর ইদলিবে বিমান হামলায় ৭ শিশুসহ ১৮ জন নিহত হয়েছে। দেশটির মানবাধিকার পর্যবেক্ষণাগারের বরাতে আজ সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের সর্বশেষ প্রধান ঘাঁটি উত্তর–পশ্চিমাঞ্চল। পুরো দেশকে বিদ্রোহীমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। তবে ওই এলাকায় দুই মাসের বেশি সময় ধরে সামরিক অভিযান চালিয়েও খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি প্রেসিডেন্ট ও তাঁর সমর্থকেরা।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পালমারের পূর্বাঞ্চলে বোমা হামলায় ফসফেটবাহী একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় রেলকর্মীদের অনেকে আহত হন। প্রতিবেদনটিতে হামলাকারী হিসেবে কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। ওই অঞ্চলে ইসলামিক স্টেট এখনো সক্রিয়।

পর্যবেক্ষণাগারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইদলিব প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলের উরুম আল-জাওয়াজ গ্রামে সরকারের বিমান হামলায় ৫ শিশুসহ ১২ জন নিহত হয়েছে। এর আগে প্রদেশটির কেফারোমা অঞ্চলে এক হামলায় দুই শিশুসহ চারজন নিহত হয়।

রাশিয়ান বিমান হামলায় বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক স্বেচ্ছাসেবক নিহত হন বলে জানিয়েছে পর্যবেক্ষণাগার। হোয়াইট হেলমেট নামে পরিচিত বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে নিহত ব্যক্তিকে আনাস-আল দিয়াব বলে শনাক্ত করা হয়। বিমান হামলার তথ্যচিত্র ধারণ করার সময় স্বেচ্ছাসেবক ও গণমাধ্যমকর্মী আনাসকে হত্যা করা হয়।

সিরিয়া সরকার বা রাশিয়ার গোলাবর্ষণে এপ্রিল মাসের শেষ দিক থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৮২ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পর্যবেক্ষণাগারটি। বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। এ সময়ে দুই পক্ষের প্রায় দেড় হাজার যোদ্ধা নিহত হয়েছে।

২০১১ সালে সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনের জের ধরে সিরিয়ায় যুদ্ধে অন্তত ৩ লাখ ৭০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0