বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অকল্যান্ডে বিজনেস এনজেডের উদ্বোধনী ভাষণে আরডার্ন বলেন, সীমান্ত খুলে দেওয়ায় দক্ষ শ্রমিক সংকট কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে। পর্যটন উন্মুক্ত হবে। অভিবাসন প্রক্রিয়াটি আরও নিরাপদ হবে।

আরডার্ন বলেন, ‘আমরা নিউজিল্যান্ডের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার জন্য আমাদের পরীক্ষিত পরিকল্পনা কাঠামো তৈরি করছি।’

করোনা সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে ২০২০ সালের মার্চে সীমান্তে বিধিনিষেধ আরোপ করে নিউজিল্যান্ড। দেশের বাইরে থেকে প্রবেশে নিউজিল্যান্ড তার সীমান্ত দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ রাখে। এতে বিদেশি ভ্রমণকারীদের পাশাপাশি নিজ দেশের নাগরিকেরাও বিড়ম্বনায় পড়েন।

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে বিশ্বের যে দেশগুলো সবচেয়ে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে, তাদের মধ্যে নিউজিল্যান্ড অন্যতম। অবশ্য করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে বিশ্বের সফল দেশগুলোর মধ্যে নিউজিল্যান্ডের নামও উচ্চারিত হয়।
সম্প্রতি বিশ্বের অধিকাংশ দেশের পাশাপাশি নিজ দেশেও করোনার সংক্রমণ কমতে থাকায় বিধিনিষেধ শিথিল করছে নিউজিল্যান্ড। এরই ধারাবাহিকতায় এবার কিছুটা আগেই সীমান্ত খুলে দেওয়ার ঘোষণা এল।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন