বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সু চির আইনজীবী মিন মিন সোয়ে বলেছেন, সু চির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাঁদের কাছে নেই। তবে অভিযোগুলোর মধ্যে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। চারটি অভিযোগের মধ্যে দুটিতে নাম রয়েছে সু চির মন্ত্রিসভার এক সদস্যেরও। তিনি আরও বলেছেন, ‘অভিযোগগুলো দুর্নীতির হলেও কোন কারণে সেগুলো আনা হয়েছে, তা আমরা জানি না। আমরা এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি।’

গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানে সু চির সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। সেই থেকে দেশজুড়ে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। সেই সঙ্গে সু চির বিরুদ্ধে বিভিন্ন শহরে মামলাও করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী নেপিডোর একটি আদালতে সু চির বিচার চলছে। অবৈধভাবে ওয়াকিটকি আমদানি ও তা সঙ্গে রাখা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইনের আওতায় করোনা প্রটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগে কিছু দিন আগে এই বিচার শুরু হয়েছে।

সু চির বিরুদ্ধে আরেকটি গুরুতর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ইয়াঙ্গুনের একটি আদালতে। সরকারি গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন সু চির আইনজীবীরা।

সু চির বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ দায়েরের বিষয়ে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে কোনো মন্তব্য করেননি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জাও মিন তুন। তবে তিনি বলেছেন, সু চি স্টেট কাউন্সেলর পদ সৃষ্টি করে দেশের সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।

এই বিষয় নতুন অভিযোগগুলোর কোনোটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন