বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিযোগিতার আয়োজকেরা বলছেন, ভূমিতে থাকা স্থানীয় প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম এই বাদুড়। এটি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। এ জন্য প্রতিযোগিতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এটিকে। তবে সমালোচকেরা এই বাদুড়ের বিজয় ভালোভাবে নেননি। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘এর মধ্য দিয়ে আমাদের দেশ বাদুড়সুলভ পাগলাটে আচরণ করল।’

চীনে মানুষের শরীরে করোনাভাইরাস ছড়ানোর পেছনে বাদুড়কে দায়ী করা হয়ে থাকে। অনেকেই এই বিষয়ের ইঙ্গিত করে সমালোচনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে বলছেন, ভোটের মাধ্যমে প্রহসন করা হয়েছে। চুরি করা হয়েছে।

আয়োজক সংগঠনের মুখপাত্র লরা কিওউন বলেছেন, করোনা মহামারি–পরবর্তী সময়ে বাদুড়ের ভাবমূর্তি ফেরানো এই আয়োজনের উদ্দেশ্য ছিল না। বরং বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা এই বাদুড়কে ভোট দেওয়ার মধ্য দিয়ে অবৈধ শিকারিদের ঠেকানো, আবাসস্থল পুনরুদ্ধার এবং জলবায়ু সুরক্ষা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে প্রজাতিটিকে রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন পাখিপ্রেমীরা।

২০১৯ সালেও বছরের সেরা পাখি নির্বাচনের ভোটের প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। ওই সময় রাশিয়া থেকে অনেক ভোট পড়েছিল। ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় হ্যাকিং ও রুশ পাখিপ্রেমীদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছিল তখন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন