বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জাপানের আইন অনুসারে রাজপরিবারের কোনো নারী সদস্য যদি বাইরের কোনো সাধারণ পুরুষকে বিয়ে করেন তাহলে তিনি রাজকীয় মর্যাদা হারান। তবে পুরুষ সদস্যের ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য নয়।

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ টোকিওর বিমানবন্দরে ১০০ জনের মতো সংবাদকর্মী উপস্থিত থাকলেও তাঁদের কোনো প্রশ্নের জবাব না দিয়েই মাকো-কোমুরো চলে যান। বিমানবন্দরের কর্মকর্তা ও বিপুলসংখ্যক পুলিশ এ জুটিকে ঘিরে রেখেছিল।
নিউইয়র্কে আইনজীবী হিসেবে কাজ করছেন কেই কোমুরো। তাঁর আইন বিষয়ে পড়াশোনাও সেখান থেকেই।

২০১৭ সালে মাকোর সঙ্গে বাগদানের ঘোষণার পর কোমুরো ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে বেশ কিছু সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেগুলোতে অভিযোগ করা হয়, কোমুরোর পরিবার আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত। গুঞ্জন রটে কোমুরোর মা তাঁর সাবেক প্রেমিকের কাছ থেকে অর্থ ধার করে তা ফেরত দেননি। রাজপরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ে বন্ধ করার ক্ষেত্রে এ ঘটনার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করা হয়। তবে রাজকুমারী মাকোর বাবা যুবরাজ ফুমিহিতো বলেছিলেন, বিয়ের আগে অবশ্যই অর্থের বিষয়টি মিটিয়ে ফেলতে হবে।

default-image

তখন রাজপরিবারের হাউসহোল্ড এজেন্সি জানিয়েছিল, সংবাদমাধ্যমগুলোতে এত বেশি লেখালেখির কারণে মানসিক জটিলতায় ভুগছেন মাকো।

গত মাসে বিয়ের পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সে প্রসঙ্গটি টেনে এনেছিলেন সাবেক রাজকুমারী। মাকো বলেন, ‘গুজব ও ভিত্তিহীন গল্প ছড়িয়ে পড়ায় ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। হতাশা ও যন্ত্রণা বোধ করছিলাম আমি।’

কোমুরো ওই সংবাদ সম্মেলনে জানান, মাকো মানসিক ও শারীরিকভাবে খারাপ অবস্থায় আছেন জানার পর তিনিও খুব উদাস হয়ে পড়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমি মাকোকে ভালোবাসি। একটাই তো জীবন আমাদের। ভালোবাসার মানুষকে সঙ্গে নিয়েই তা কাটিয়ে দিতে চাই।’

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন