default-image

গণতন্ত্রপন্থী ১২ জন কর্মীকে তাইওয়ানে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় সহায়তা করার অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে হংকং পুলিশ। গত বছর নৌকায় করে ওই গণতন্ত্রকামী কর্মীরা পালানোর চেষ্টা করেন বলে শহরটির চীন–সমর্থিত কর্তৃপক্ষের অভিযোগ। খবর রয়টার্সের।

আজ বৃহস্পতিবার হংকংয়ের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো ও মানবাধিকারকর্মীরা এ কথা জানান। সম্প্রচারমাধ্যম আরটিএইচকের তথ্য অনুযায়ী, যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁদের বয়স ১৮ থেকে ৭২ বছর। তাঁদের মধ্যে আটজন পুরুষ ও তিনজন নারী।

গত বছরের জুনে হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইন কার্যকর করেছে চীন। এই আইনের অধীন চালানো দমনপীড়ন থেকে বাঁচতে শহরটির গণতন্ত্রপন্থী কর্মীদের জন্য তাইওয়ান জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে। সমালোচকেরা বলছেন, হংকংয়ে ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন ও বাক্‌স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টাতেই এ পদক্ষেপ নিয়েছে চীন। আইনটির অধীন এ পর্যন্ত শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তাইওয়ানে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগে গত বছরের আগস্টে ১২ গণতন্ত্রপন্থী কর্মীকে আটক করে হংকং কর্তৃপক্ষ। তাঁদের আইনি সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ড্যানিয়েল ওয়াং নামের একজন আইনজীবী। এবার যে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তিনিও।

ওয়াং ফেসবুকে লিখেছেন, স্থানীয় সময় সকাল ছয়টায় পুলিশ তাঁর অ্যাপার্টমেন্টে আসে।

বিজ্ঞাপন

১১ জনকে গ্রেপ্তার করা নিয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য না করলেও জানিয়েছে, তারা তাঁদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করছে। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলেছে, হংকং ছেড়ে পালানোর চেষ্টাকারী ১২ গণতন্ত্রপন্থী কর্মীকে সহায়তার অভিযোগে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ২০১৯ সালে চীনশাসিত হংকংয়ে অনুষ্ঠিত সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ আনা হয় ওই ১২ জনের বিরুদ্ধে।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের একটি আদালত অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার অপরাধে ওই ১২ জনের মধ্যে ১০ জনকে সাত মাস থেকে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। বাকি দুজনের বয়স কম হওয়ায় তাদের হংকংয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

গত বছরের জুনে হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইন কার্যকর করেছে চীন। এই আইনের অধীন চালানো দমনপীড়ন থেকে বাঁচতে শহরটির গণতন্ত্রপন্থী কর্মীদের জন্য তাইওয়ান জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে। সমালোচকেরা বলছেন, হংকংয়ে ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন ও বাক্‌স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টাতেই এ পদক্ষেপ নিয়েছে চীন। আইনটির অধীন এ পর্যন্ত শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন