বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নতুন বছরে দেওয়া এক ভাষণে কিম জং–উন বলেন, পিয়ংইয়ং প্রতিরক্ষাক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে। কোরিয়া উপত্যকায় অস্থিতিশীল সামরিক পরিবেশের কারণে পিয়ংইয়ং প্রতিরক্ষাক্ষমতা বাড়াতে চায় বলেও জানান তিনি। এরপর এ পরীক্ষা চালানো হলো।

গত বছর উত্তর কোরিয়া বেশ কয়েক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র এর নিন্দা জানিয়েছে।

হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন প্রচেষ্টায় কয়েকটি দেশের সঙ্গে কাজ করছে পিয়ংইয়ং। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনও রয়েছে।

বুধবার জাপানের কোস্টগার্ড উত্তর কোরিয়ার ছোড়া হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের অবস্থান প্রথম শনাক্ত করে। পরে সিউলের প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ তা নিশ্চিত করে।
উত্তর কোরিয়ায় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা প্রতিবেশী দেশ জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে বিবিসির এক বিশ্লেষণে জানানো হয়।
উত্তর কোরিয়ার সরকারি গণমাধ্যম কেসিএনএর খবর বলছে, বুধবার ছোড়া উত্তর কোরিয়ার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে। তবে আন্তর্জাতিকবিষয়ক থিঙ্কট্যাংক কার্নেগি এনডোমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ অঙ্কিত পান্ডা রয়টার্সকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে উত্তর কোরিয়া যে ধরনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছিল, এ ক্ষেপণাস্ত্র সে রকম নয়। তবে ওই ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে এর কিছুটা সাদৃশ্য রয়েছে।

গত বছরের অক্টোবরে পিয়ংইয়ংয়ে প্রতিরক্ষাবিষয়ক এক প্রদর্শনীতে নতুন ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রথম প্রকাশ্যে দেখানো হয়। উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু কর্মসূচি থেকে সরে আসতে আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে খাদ্যসংকট ও ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা সত্ত্বেও পিয়ংইয়ং একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন