বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ডাইনোসরটির জীবাশ্ম বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আট মিটার লম্বা প্রাণীটির ওজন ছিল এক টনের বেশি। তবে এই প্রজাতির একেকটি ডাইনোসরের ওজন ছয় টন পর্যন্ত হতো। টাইরানোসরাস প্রজাতির ডাইনোসরের চেয়ে এগুলো লম্বায় দ্বিগুণ ও ওজনে পাঁচ গুণ বেশি ছিল। যে জীবাশ্ম নিয়ে গবেষণা করা হয়, সেটি প্রথমে পাওয়া গিয়েছিল আশির দশকে উজবেকিস্তানের কিজিলকুম মরুভূমিতে। সেটি একটি জাদুঘরে রাখা ছিল। ২০১৯ সালে বিজ্ঞানীরা জীবাশ্মটি ওই জাদুঘর থেকে সংগ্রহ করে গবেষণা শুরু করেন।

যে গবেষক দলটি জীবাশ্মটি নিয়ে কাজ করেছে, সে দলে ছিলেন উজবেকিস্তানের স্টেট জিওলজিক্যাল মিউজিয়ামের কোথেই তানাকা। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘মাংসাশী ডাইনোসরদের ওপরের চোয়াল মেপে প্রাণীটির আকার বের করা যায়। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত নিয়ম। সেই নিয়ম মেনে আমরা হাঙরের মতো দাঁতালো ডাইনোসরের শরীর মেপেছি। এতে দেখা গেছে, ডাইনোসরটির ওজন ছিল এক হাজার কেজির বেশি। লম্বায় প্রায় সাড়ে ৭ থেকে ৮ মিটার।’

ডাইনোসরের জীবাশ্ম আবিষ্কার নিয়ে একটি গবেষণাপ্রবন্ধ ছাপা হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী রয়্যাল সোসাইটি ওপেন সায়েন্স–এ। সেখানে বলা হয়েছে, ‘উলুগবেগসরাস উজবেকিস্তানেনসিস’ ডাইনোসরটি এমন একটি গোষ্ঠীর, যেগুলোর হাঙরের মতো দাঁত ছিল।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন