বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রুস্তমজাই বলেন, শরিয়াহ আইন মেনে চললে আফগানিস্তানের খেলাধুলায় বিশ্বের অন্য দেশগুলোর তুলনায় খুব কমই পরিবর্তন আসবে। উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ফুটবল খেলোয়াড় বা বক্সারদের হাঁটুর নিচ পর্যন্ত প্যান্ট পরে খেলায় নামতে হবে। ফলে খেলায় খুব বেশি পরিবর্তন আসবে না।

খেলাধুলায় নারীদের অংশগ্রহণ কতটুকু থাকবে—এমন প্রশ্নের জবাবে রুস্তমজাই বলেন, এ বিষয়ে তালেবানের উচ্চপর্যায়ের কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছেন তিনি।

যে ৪০০ ধরনের খেলা তালেবান অনুমোদন দেবে বলে বলা হচ্ছে, তার মধ্যে একটিতেও নারীরা অংশ নিতে পারবে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে অস্বীকৃতি জানান রুস্তমজাই। তিনি এএফপিকে বলেন, ‘দয়া করে নারীদের বিষয়ে আমাকে আর কোনো প্রশ্ন করবেন না।’

তবে রুস্তমজাইয়ের এক উপদেষ্টা বলেছেন, তালেবান নারীদের খেলার সুযোগ দেবে। কিন্তু পুরুষদের থেকে আলাদাভাবে তাদের খেলায় অংশ নিতে হবে।

গত সপ্তাহে তালেবানের সংস্কৃতিবিষয়ক কমিশনের উপপ্রধান আহমাদুল্লাহ ওয়াসিক বলেছিলেন, নারীদের খেলাধুলার কোনো প্রয়োজন নেই।

অস্ট্রেলিয়ার সম্প্রচারমাধ্যম এসবিএসকে আহমাদুল্লাহ বলেন, ক্রিকেটে নারীদের এমন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হতে পারে, যা ইসলাম নারীদের অনুমোদন দেয় না।

তালেবান যদি নারীদের ক্রিকেট খেলার অনুমতি না দেয়, তাহলে আন্তর্জাতিকভাবে তাদের চাপের মুখে পড়তে হতে পারে। কারণ, কোনো দেশকে টেস্ট ম্যাচে অংশ নিতে হলে দেশটির পুরুষ দলের পাশাপাশি সক্রিয় নারী দল থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

আফগানিস্তানের নারীরা ক্রিকেট খেলবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন আফগান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান আজিজুল্লাহ ফজলি।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন