বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান ও চীনের নাম রয়েছে।
সীমান্ত খুলে দেওয়ায় হাজারো পর্যটক থাইল্যান্ডে পর্যটনকেন্দ্রগুলোয় আসবেন বলে আশা করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

করোনা মহামারির কারণে থাইল্যান্ডের অর্থনীতি ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে। ধুঁকতে থাকা থাই অর্থনীতিকে বাঁচাতে ১ নভেম্বর (আজ) থেকে দেশটির সীমান্ত কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশের পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা আগেই ঘোষণ করেছিলেন থাই প্রধানমন্ত্রী প্রাউত চান-ওচা।

থাইল্যান্ডের জাতীয় আয়ে পর্যটন খাতের অবদান প্রায় ২০ শতাংশ। কিন্তু করোনা-সম্পর্কিত ভ্রমণ–নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির পর্যটন খাত বিপর্যয়ের মুখে পড়ে।

স্বাভাবিক সময়ে থাইল্যান্ডে প্রতিবছর প্রায় চার কোটি পর্যটক ভ্রমণ করেন।
থাইল্যান্ডে এখনো করোনার সংক্রমণ রয়েছে। দেশটিতে দৈনিক প্রায় ১০ হাজার মানুষের করোনা শনাক্ত হচ্ছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন