বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার ডব্লিউএইচওর প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান। এর আগে উহান শহরে চীনা গবেষকদের সঙ্গে চার সপ্তাহ অবস্থান করে ডব্লিউএইচওর একটি তদন্তকারী দল। পরে চলতি বছরের মার্চে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তারা জানায়, ভাইরাসটি সম্ভবত বাদুড় থেকে অন্য পশুপাখির মাধ্যমে মানুষের শরীরে এসেছে।

উহানের কোনো ল্যাবরেটরি থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে বলে দাবি করে আসছিলেন অনেক বিশেষজ্ঞ। ওই ধারণা একেবারেই ‘অসম্ভব’ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করে ডব্লিউএইচওর তদন্তকারী দল। তবে তাদের ওই মন্তব্য মানতে পারেননি যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশের বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা।

সংবাদ সম্মেলনে তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেন, ‘আমরা চীনকে আরও বেশি খোলামেলা, স্বচ্ছ এবং সহযোগী হতে আহ্বান জানাব। আদতেই সেখানে কী হয়েছিল, তা তুলে ধরতে করোনায় আক্রান্ত এবং মৃত লাখ লাখ মানুষের কাছে আমরা দায়বদ্ধ।’
চীনে দ্বিতীয় ধাপে আবার তদন্ত শুরুর প্রস্তাব এনে আজ শুক্রবার তেদরোস ডব্লিউএইচওর ১৯৪ সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির শীর্ষ বিশেষজ্ঞ মাইক রেয়ান। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে আমাদের চীনা সঙ্গীদের নিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আশা করছি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান কালকের বৈঠকে এ নিয়ে সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।’

বৃহস্পতিবার তেদরোসের সঙ্গে কথা বলেছেন জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়েন্স স্পান। করোনাভাইরাসের উৎপত্তি অনুসন্ধানে আরও তথ্যের প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি। তদন্ত আবার চালু করতে চীনের প্রতি আহ্বান জানান জার্মান মন্ত্রী।
এদিকে উহানের ল্যাবরেটরি থেকে করোনা ছড়িয়ে পড়ার তত্ত্বকে ‘অযৌক্তিক’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে চীন। বিষয়টির রাজনীতিকরণ করা হলে তদন্তকাজ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে দেশটি।

২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের কর্তৃপক্ষ ২৭ জনের ‘ভাইরাল নিউমোনিয়ায়’ আক্রান্ত হওয়ার কথা জানায়। ৭ জানুয়ারি দেশটির কর্মকর্তারা এটাকে নতুন ভাইরাস হিসেবে শনাক্ত করেন। ১১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ভাইরাসটির নাম দেয় ২০১৯-এনকভ (কোভিড-১৯)।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন