বিজ্ঞাপন

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কর্তৃপক্ষ দেখছে, সাধারণ মানুষ কোথায় যাচ্ছে, বাড়িতে কখন ঢুকছে বা বের হচ্ছে। মানুষ কখন সুপারমার্কেটে যাচ্ছে, কখন গণপরিবহনে উঠছে তা জানতেও ব্যবহার করা হচ্ছে ‘ফেস রিকগনিশন’ প্রযুক্তি। আর এই প্রযুক্তির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে মানুষের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য।

জনগণকে নজরদারিতে রাখার ক্ষেত্রে অন্য অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে চীন। এ জন্য বিগত পাঁচ বছরে জনসমাগমের স্থানগুলোয় ২০ কোটির বেশি সিসিটিভি স্থাপন করেছে সরকার। বলা হয়ে থাকে, এর মাধ্যমে ‘দেশের প্রায় সব জনসমাগম স্থল’ ক্যামেরার আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে সরকার।

এই ‘ফেস রিকগনিশন’ প্রযুক্তি ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে কিউআর কোড প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে ওই ব্যক্তির করোনার পরীক্ষার প্রতিবেদন এবং তিনি কার কার সংস্পর্শে আসছেন, সেটাও জানা যাচ্ছে। এই প্রযুক্তির ফলে জানা যাচ্ছে, তিনি যখন কোথাও যাচ্ছেন, তখন তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা কী। ফলে ওই ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হলে কার কার সংস্পর্শে আসছেন, সেটাও জানা যাচ্ছে এর মাধ্যমে।

এই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী চীনের ইউনান প্রদেশে। ‘ফেস রিকগনিশন’ প্রযুক্তি ব্যবহার প্রসঙ্গে প্রদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা রুইলি বলেন, সেখানে যাঁরা প্রবেশ করছেন এবং যাঁরা বের হচ্ছেন, তাঁদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত কোড ও ফেস স্ক্যান করা হচ্ছে।

প্রদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে, যেসব এলাকা গুরুত্বপূর্ণ, সেসব এলাকায় ‘ফেস রিকগনিশন’ ক্যামেরা, স্মার্ট ডোর লক ও রাস্তায় গতিরোধক ব্যবহার করা হচ্ছে নিরাপত্তার জন্য।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন