বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সি চিন পিং প্রায় এক ঘণ্টা বক্তব্য দেন। আধুনিক চীনে তিনি ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট দলের ভূমিকা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে কমিউনিস্ট পার্টি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।

default-image

যাঁরা কমিউনিস্ট পার্টিকে আলাদা করতে চান, তাঁরা ব্যর্থ হবেন। চিন পিং আরও বলেন, আমরা কাউকে চীনের ওপর দমন-পীড়ন চালানোর সুযোগ দেব না। যুক্তরাষ্ট্র চীনের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে চাচ্ছে বলে বারবারই অভিযোগ করেছে দেশটি।

স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার সকালের ওই অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর জেট বিমান মহড়া দেয়। কামান থেকে গোলাবর্ষণ করে স্যালুট জানানো হয়। দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশন করা হয়। শতবর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান শুরুর আগে শিক্ষার্থীরা চীনের পতাকা ওড়ান।

১৯২১ সালে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের পর ৭২ বছর আগে দলটি ক্ষমতায় আসে। অংশগ্রহণকারীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।
শতবর্ষ আগে যে বাড়িতে মাও সে-তুং ও অন্য ১২ জন নেতা চীনের কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সম্প্রতি সেখানেই চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং তাঁর পলিটব্যুরোকে নিয়ে নতুন শপথ করান।

১৯২১ সালে সাংহাইয়ের অখ্যাত আঙিনাটি এখন বিলাসবহুল মেমোরিয়াল হলো। এটাই আজ ১ জুলাই কমিউনিস্ট পার্টির শতবর্ষ উদ্‌যাপনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

তুলে ধরা হচ্ছে অর্জনটাই

শতবর্ষ উদ্‌যাপনে প্রকাশ করা ভিডিওতে কমিউনিস্ট পার্টি তাদের নানা অর্জনের বিষয়গুলো গর্ব করে তুলে ধরছে। এর মধ্যে রয়েছে তাদের প্রথম পারমাণবিক বোমা, গর্ব করার মতো নানা অবকাঠামো ও সম্প্রতি মঙ্গলে পাঠানো নভোযানের মতো নানা বিষয়। তবে বিশ শতকের বড় বড় বিক্ষোভ বা বিশৃঙ্খলার বিষয়গুলো আড়ালেই থেকে গেছে। ঐতিহাসিকদের মতে, এসব বিদ্রোহে লাখো মানুষ মারা গেছেন। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬০ সালের ‘গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড’ নামের দুর্ভিক্ষ, ১৯৬৬ সাল থেকে শুরু হওয়া ‘সংস্কৃতি বিপ্লব’ ও ১৯৮৯ সালের তিয়েনআনমেন স্কয়ারের হত্যাকাণ্ডের বিষয়গুলো এখনো মুছে যায়নি।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন