বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুই বছর আগে করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকেই কঠোর কোভিড নীতিমালা বজায় রেখেছে চীন। করোনার প্রকোপকে শূন্যে নামিয়ে আনতে সীমান্ত বন্ধ করাসহ কঠোর বিধিনিষেধ জারি রেখেছে দেশটি। এর মধ্যেই মঙ্গলবার হঠাৎ একটি স্কুলে একজন কর্মচারীর শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। শিক্ষার্থীদের কেউ আবার করোনায় আক্রান্ত হলো কি না, তা নিশ্চিত না হয়ে তাদের স্কুলের বাইরে যেতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

খবর পেয়ে স্কুলের সামনে জড়ো হন অভিভাবকেরা। উদ্বিগ্নভাবে সন্তানদের দেখার অপেক্ষায় থাকেন তাঁরা। এদিন শিক্ষার্থীদেরও করোনা পরীক্ষা করা হয়। আর এর ফলাফল হাতে না পাওয়া পর্যন্ত তাদের স্কুলেই অবস্থান করতে বলে কর্তৃপক্ষ। স্কুলে অবস্থান করতে বাধ্য হওয়া শিক্ষার্থীদের বয়স আনুমানিক ৭ থেকে ১২ বছরের মধ্যে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় স্কুলে পৌঁছান অধ্যক্ষ। তিনি অপেক্ষমাণ অভিভাবকদের বলেন, কিছুসংখ্যক শিশুকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হতে পারে। এরপর কোন কোন শিশুকে স্কুলে রাতে থাকতে হবে তা জানানো হয়। অভিভাবকদের বলা হয়, তাদের জন্য স্কুলে কাপড়-চোপড় পৌঁছে দিতে। করোনা পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে পরের দিন শিক্ষার্থীদের বের হতে দেওয়া হবে বলেও জানান অধ্যক্ষ।

ঠিক কতজন শিক্ষার্থী স্কুলে অবস্থান করতে বাধ্য হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে চীনা-আমেরিকান মালিকানাধীন এনটিডি টিভি দাবি করেছে, ৩৫ শিক্ষার্থীকে কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়েছিল। স্কুলের শিক্ষক–শিক্ষার্থী ও কর্মীদের সবার করোনা পরীক্ষা করা হয়। স্কুল সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

ভাইরাসের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়ে জীবনযাপনে পরিবর্তন আনার চেয়ে ভাইরাস নির্মূলের ওপর জোর দিচ্ছে তারা। তবে চীন কত দিন ভাইরাস নির্মূলের কৌশল বজায় রাখতে পারবে, তা নিয়ে সন্দিহান স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

এর আগে চীন স্বীকার করেছে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে শীতকালীন অলিম্পিক আয়োজনের ক্ষেত্রে করোনাভাইরাস এখনো ‘বড় চ্যালেঞ্জ’ হয়ে রয়েছে।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন