default-image

তাইওয়ানের সাবেক চার সামরিক গোয়েন্দা কর্মকর্তা চীনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছেন। তাঁদের জাতীয় নিরাপত্তা আইন ও জাতীয় গোয়েন্দা আইনের আওতায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত চারজনের মধ্যে একজন মেজর জেনারেলও রয়েছেন।

আজ শনিবার দেশটির কৌঁসুলিরা এসব তথ্য জানান। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

তাইপের ডিস্ট্রিক্ট কৌঁসুলির অফিসের ভাষ্য, ওই চার সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক তৈরি করে বেইজিংয়ের হয়ে স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তাইওয়ান মাত্র ১৩ হাজার ৮২৬ বর্গমাইলের একটা দ্বীপ। মূল চীন থেকে এই ভূখণ্ডটি প্রায় ১১০ মাইল দূরে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চীনের কাছে সবচেয়ে স্পর্শকাতর প্রসঙ্গ তাইওয়ান।

বিজ্ঞাপন

দ্বীপটিকে নিজেদের অংশ দাবি করে এ নিয়ে কোনো আপস করতে রাজি নয় চীন। তাইওয়ানকে পৃথক দেশ হিসেবে মানে না তারা। সেখানকার সরকারও তাদের কাছে ‘তাইওয়ান কর্তৃপক্ষ’ মাত্র। চীন বরাবরই বলে যাচ্ছে, শান্তিপূর্ণভাবে না হলে জোর করে তাইওয়ানকে ‘মূল ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণে’ আনা হবে।

তাইওয়ানের সরকারি আইনজীবীরা বলছেন, গুয়াংডংয়ে চীনের জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাইওয়ানের দুজন সাবেক কর্নেলকে গোয়েন্দাগিরিতে নিয়োগ দেন। ২০১২ সাল থেকে তাঁরা আরও সহকর্মী জোগাড় করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মেজর জেনারেল ইউয়েহের নামও।

আইনজীবীদের অভিযোগ, ইউয়েহ চীন ও ম্যাকাওয়ে একাধিকবার সফর করেছেন। তিনি নগদ অর্থ ছাড়াও উপহার ও ভ্রমণসুবিধা পেয়েছেন। গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক তৈরিতে তিনি অন্যদের নিয়োগও দিয়েছেন। তাঁরা তাইওয়ান ও চীনের কমিউনিস্টদের মধ্যকার বিরোধ জেনেশুনেও এ পথ বেছে নিয়েছেন।

গত অক্টোবর মাসে তাইওয়ানের একটি আদালত একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেলকে বেইজিংয়ের হয়ে গোয়েন্দাগিরির অভিযোগে চার বছরের কারাদণ্ড দেন।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন