বিজ্ঞাপন

দ্বীপটিকে নিজেদের অংশ দাবি করে এ নিয়ে কোনো আপস করতে রাজি নয় চীন। তাইওয়ানকে পৃথক দেশ হিসেবে মানে না তারা। সেখানকার সরকারও তাদের কাছে ‘তাইওয়ান কর্তৃপক্ষ’ মাত্র। চীন বরাবরই বলে যাচ্ছে, শান্তিপূর্ণভাবে না হলে জোর করে তাইওয়ানকে ‘মূল ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণে’ আনা হবে।

তাইওয়ানের সরকারি আইনজীবীরা বলছেন, গুয়াংডংয়ে চীনের জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাইওয়ানের দুজন সাবেক কর্নেলকে গোয়েন্দাগিরিতে নিয়োগ দেন। ২০১২ সাল থেকে তাঁরা আরও সহকর্মী জোগাড় করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মেজর জেনারেল ইউয়েহের নামও।

আইনজীবীদের অভিযোগ, ইউয়েহ চীন ও ম্যাকাওয়ে একাধিকবার সফর করেছেন। তিনি নগদ অর্থ ছাড়াও উপহার ও ভ্রমণসুবিধা পেয়েছেন। গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক তৈরিতে তিনি অন্যদের নিয়োগও দিয়েছেন। তাঁরা তাইওয়ান ও চীনের কমিউনিস্টদের মধ্যকার বিরোধ জেনেশুনেও এ পথ বেছে নিয়েছেন।

গত অক্টোবর মাসে তাইওয়ানের একটি আদালত একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেলকে বেইজিংয়ের হয়ে গোয়েন্দাগিরির অভিযোগে চার বছরের কারাদণ্ড দেন।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন