বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই শহরের সব বাসিন্দাকে ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে যারা স্বাস্থ্যসেবার কাজে নিযুক্ত তারা বাইরে বের হতে পারবেন।

এর আগে চীনের পশ্চিমাঞ্চলের জিয়ান শহরেও পুরোপুরি লকডাউন ঘোষণা করা হয়। গত সোমবার সেখানে ৯৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জিয়ান শহরে জারি করা লকডাউনের কারণে সেখানকার ১ কোটি ৩০ লাখ বাসিন্দা ১২ দিন ধরে গৃহবন্দী অবস্থায় আছেন।

তবে কঠোর লকডাউনে করোনা সংক্রমণের হার কমতে দেখা গেলেও এটি নানা রকমের সমস্যা তৈরি করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায়, কীভাবে সাধারণ মানুষ খাদ্য সরবরাহের ঘাটতির উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

মানুষ একই ভবনে থাকা অন্যদের সঙ্গে জিনিসপত্র অদলবদল করছে। কারণ তাদের কাছে পর্যাপ্ত খাবার নেই- ওয়াং নামের জিয়ানের এক বাসিন্দা রেডিও ফ্রি এশিয়াকে এমনটি বলেছেন। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, এক ব্যক্তি চালের জন্য একটি স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট বিনিময় করতে চেয়েছিলেন।

চীনে বর্তমান করোনা সংক্রমণের কেন্দ্র জিয়ান শহর। শহরটিতে গত ৯ ডিসেম্বর থেকে ১ হাজার ৬০০ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। সিএনএন বলছে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চীনা কর্তৃপক্ষ জিয়ান শহরে যে ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করেছে, তা ২০২০ সালের শুরুতে উহান শহরে আরোপিত বিধিনিষেধের পর সবচেয়ে কঠোরতম।

এর মধ্যেই গত ১ জানুয়ারি মধ্যরাতের পর জিয়ানের দক্ষিণাঞ্চলের একটি আবাসিক এলাকা থেকে কয়েক শ বাসিন্দাকে কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়। তবে শহর কর্তৃপক্ষের এমন পদক্ষেপের সমালোচনা শুরু হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন