বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বছর প্রাথমিক প্রাদুর্ভাবের পর থেকে ‘জিরো-কোভিড’ কৌশল অনুসরণ করে আসছে চীন। কিন্তু করোনাভাইরাসের ডেলটা ভেরিয়েন্টকে দেশটির জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। বিশ্লেষকেরা প্রত্যাশা করছেন, চীন বসে নেই। কিছু অর্থনৈতিক ক্ষতির ঝুঁকি সত্ত্বেও করোনাভাইরাসের এই অতি সংক্রামক ধরন নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ার আগেই তারা এটি দমন করবে।

গত রোববার এক বিবৃতিতে চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (এনএইচসি) বলেছে, মানসিক শিথিলতা দৃঢ়ভাবে কাটিয়ে উঠতে হবে।

গতকাল এনএইচসির দেওয়া তথ্যমতে, রোববার চীনের মূল ভূখণ্ডে নতুন ১২৫ রোগী শনাক্ত হন, যাঁদের ৯৪ জন স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছেন। এর আগের দিন শনিবার ৯৬ শনাক্ত রোগীর মধ্যে ৮১ জন স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছিলেন। দুই ক্ষেত্রেই বাকিরা বিদেশ থেকে আক্রান্ত হয়ে এসেছেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এই পরিস্থিতে চীনের হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। প্রয়োজনে তাদের আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবেই ডেলটা ধরন ঠেকানো যেতে পারে।
রয়টার্সের তথ্যমতে, চীনে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৯৩ হাজার ৮২৬ জন, মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ৬৩৬ জনের।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন