বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, সারি সারি এই বক্সগুলোয় যাঁদের থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে বয়স্ক, শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারীও রয়েছেন। এই বক্সগুলোর ভেতরে যে বিছানা রয়েছে সেগুলো কাঠের তৈরি। এর শৌচাগারও কাঠের তৈরি। সেখানে দুই সপ্তাহ থাকতে হচ্ছে সন্দেহভাজন ওই রোগীদের। এই রোগীদের মধ্যে এমন ব্যক্তিকেও সেখানে এনে রাখা হচ্ছে, যাঁরা কিনা একা থাকেন।

আর এই কোয়ারেন্টিন সেন্টারে যেতে হয় মূলত মধ্য রাতে। চীনের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা বলেছেন, কর্তব্যরত ব্যক্তিরা তাঁদের মধ্য রাতে বাড়ি ত্যাগ করতে এবং কোয়ারেন্টিন সেন্টারে যেতে বলেন।

চীনে করোনার সংক্রমণ ছড়ানোর পর থেকে ট্রেস-অ্যান্ড-ট্র্যাক অ্যাপ চালু করা হয়েছে। এই অ্যাপ ব্যবহারও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মূলত এই অ্যাপ দিয়েই রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হয়।

চীনে কোনো প্রদেশে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হলে সেখানে কী কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়, বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে তা প্রকাশ করা হয়েছে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় দুই কোটি মানুষ এখন ঘরে থাকতে বাধ্য হচ্ছে। এমনকি তাঁদের খাবার কিনতে বাইরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন