default-image

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, চীন আগের চেয়ে আরও বেশি দমনমূলক ও আগ্রাসী আচরণ করছে। শক্তি বৃদ্ধি ও প্রভাব বিস্তার করতে গিয়ে এমন আচরণের মাধ্যমে দেশটি বিশ্বব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। স্থানীয় সময় রোববার প্রচারিত সিবিএসের ‘৬০ মিনিটস’ অনুষ্ঠানে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।

সাক্ষাৎকারে অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘কয়েক বছর ধরে আমরা দেখছি, চীন নিজ দেশে আগের চেয়ে বেশি দমনমূলক আচরণ করছে। আর বাইরের দেশগুলোর সঙ্গে চীনের আচরণ আরও আগ্রাসী হয়েছে।’

ব্লিঙ্কেন আরও বলেন, বর্তমান পৃথিবীতে সামরিক, অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক সক্ষমতার বিবেচনায় চীন একমাত্র দেশ, যে বিশ্বব্যস্থাকে অবমূল্যায়ন করতে কিংবা চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে। বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র অনেক যত্নশীল ও প্রতিরোধ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এটাও স্পষ্ট করতে চাই, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য চীনকে ধারণ করা বা পেছন থেকে টেনে ধরাও নয়। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু বিশ্বব্যবস্থার প্রতি চীনের চ্যালেঞ্জের বিষয়টি তুলে ধরা।’

বিজ্ঞাপন

এদিকে গত বুধবার মার্কিন কংগ্রেসের দেওয়া ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, তিনি চীনের সঙ্গে কোনো বিরোধ দেখছেন না। বাইডেন আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে একুশ শতকে বিশ্বব্যবস্থায় প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা বিদ্যমান বলে আমি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংকে বলেছি। আমরা এ প্রতিযোগিতাকে স্বাগত জানাই। তাই আমরা কোনো সংঘাত দেখছি না।’

বাইডেনের এমন মন্তব্যের এক সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে বিরোধের সুর স্পষ্ট হয়ে উঠল।

বিগত কয়েক বছর চীন–যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উত্তেজনা দেখা গেছে। এ সময় বাণিজ্যযুদ্ধে জড়িয়েছে উভয় দেশ। পাশাপাশি চীনের জিনজিয়াংয়ে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের ওপর দমন–পীড়ন, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও আগ্রাসী সামরিক নীতির অভিযোগ বেইজিং–ওয়াশিংটনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে শীতল করেছে। এমনকি জিনজিয়াং ইস্যুতে চীনের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন