default-image

চীন সতর্ক করে বলেছে, তাদের মূল স্বার্থকে ক্ষুণ্ন করে, এমন কোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ করবে তারা। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল শুক্রবার এ কথা বলেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর মন্তব্যের প্রতিবাদে চীন এ সতর্কবার্তা দিয়েছে। পম্পেও বলেছিলেন, তাইওয়ান চীনের অংশ নয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে তাইওয়ান স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছে চীন। তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশটি।

গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের রেডিওতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পম্পেও বলেন, ‘তাইওয়ান চীনের অংশ নয়। যুক্তরাষ্ট্র এখন সাড়ে তিন দশক আগের রিগ্যান প্রশাসনের নীতি মেনে চলেছে। তাইওয়ানকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আইনত বাধ্য।’

বিজ্ঞাপন

বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, ‘তাইওয়ান চীনের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। পম্পেও যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যেকার সম্পর্ক আরও খারাপ করছেন। আমরা পম্পেও এবং তাঁর লোকদের জানাতে চাই, চীনের মূল স্বার্থকে হীন করে এবং চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে, এমন আচরণের পাল্টা জবাব দেওয়া হবে।’

তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রিতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চীন। যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ একজন কর্মকর্তা তাইপে ভ্রমণের সময় সেখানে জেটবিমান মহড়া দেয় চীন।

তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জোয়ান ওয়ু পম্পেওকে তাঁর সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, তাইওয়ান স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। এটি চীনের অংশ নয়। এটাই বাস্তবতা ও বর্তমান অবস্থা।

তাইওয়ানের কর্মকর্তারা আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে অর্থনৈতিক বিষয়ে বৈঠক করতে যাচ্ছেন, যাতে চীন আরও ক্ষুব্ধ হয়েছে।

মন্তব্য পড়ুন 0