বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, সেখানে উদ্ধারকাজ চালানোটা খুব কঠিন ছিল। সেখানে পানির উচ্চতা ছিল বেশি। যতক্ষণ না আরেক শ্রমিকের হদিস মিলছে, ততক্ষণ পর্যন্ত উদ্ধারকাজ চলবে।

উদ্ধারকারী দলের প্রধান প্রকৌশলী সিয়াও ওয়েনরো বার্তা সংস্থা সিনহুয়াকে বলেন, ‘আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে সবচেয়ে ভালো উপায় ছিল ভেন্টিলেশন শাফট। খনি ধসে পড়ায় এটির পথও ধ্বংসস্তূপে বন্ধ হয়ে যায়। পরে এর ভেতর থেকে ৩৬৮ মিটার গভীর পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করা হয়। এরপর আমরা সেখানে দেখতে পাই কিছু স্টিলের পাইপ ধ্বংসস্তূপগুলোকে নিচের দিকে পড়া থেকে ঠেকা দিয়ে রেখেছে...ওই স্টিলের পাইপগুলোর নিচে কোনো প্রতিবন্ধকতা ছিল না।’ তিনি সিনহুয়াকে বলেন, ‘কিছু ধ্বংসস্তূপ সরানোর পর নিচে একটি গর্ত পাওয়া যায়, যা ছিল বিরাট সাফল্য।’

উদ্ধার হওয়া ১১ শ্রমিকের সবাই মোটামুটি ভালো আছেন। খনি থেকে বেরোনোর পথ ধ্বংসস্তূপে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ আগে ধারণা করেছিল হয়তো উদ্ধার অভিযানে আরও ১৫ দিন লাগতে পারে।

দেশটির জাতীয় খনি নিরাপত্তা প্রশাসনের হিসাবে ২০২০ সালে খনি দুর্ঘটনায় ৫৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন