default-image

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ভার্চ্যুয়াল জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিষয়টি জানিয়েছে বেইজিং। ব্যাপক রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও বিশ্বের শীর্ষ দূষণকারী দুই দেশ বিকল্প কোনো সমাধান খুঁজছে। বাইডেন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তাঁর আর সির মধ্যে প্রথম এই সাক্ষাৎ হবে।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, ধরিত্রী দিবস উপলক্ষে ভার্চ্যুয়াল এই জলবায়ু সম্মেলনে ৪০ জন বিশ্বনেতাকে আমন্ত্রণ করেছেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও। এই সম্মেলনের মাধ্যমে ওয়াশিংটন জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ফিরে আসছে। সাবেক মার্কিন ডোনাল্ড ট্রাম্প এ প্রক্রিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে এনেছিলেন।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সম্মেলনে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য’ দেবেন সি। কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ুবিষয়ক প্রতিনিধি জন কেরি সাংহাই সফর করেন। এটি ছিল বাইডেন প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তার প্রথম চীন সফর। বেইজিংয়ে কেরি ও চীনা প্রতিনিধি সিয়ে ঝেহুয়া বলেন, নানা উত্তেজনা সত্ত্বেও জলবায়ু সমস্যা মোকাবিলায় তাঁরা পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

হংকংয়ে চীনা নীতি এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল জিনজিয়াংয়ে উইঘুর জাতিগোষ্ঠীর ওপর আচরণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও দুই দেশ সহযোগিতার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে। যদিও নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয় উল্লেখ করে চীন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের একসঙ্গে হওয়া ছাড়া বৈশ্বিক জলবায়ু সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। পৃথিবীর মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের প্রায় অর্ধেকের জন্যই দায়ী বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতির দুই দেশ।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন