default-image

যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ চীনা ‘এজেন্ট’ গ্রেপ্তার হয়েছেন। বেইজিংয়ের বিরোধীদের লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনায় ভূমিকার জন্য গতকাল বুধবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানান। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জন ডেমারস বলেছেন, ‘ফক্স হান্ট’ নামে পরিচিত অবৈধ চীনা অভিযানের সঙ্গে জড়িত আট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

জন ডেমারস এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ২০১৪ সাল থেকে সি চিন পিংয়ের নির্দেশে ফক্স হান্ট নামে পরিচিত একটি বৈশ্বিক অপারেশন পরিচালনা করছে চীন। ফক্স হান্টকে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী অভিযান হিসেবে বর্ণনা করে চীনা কর্তৃপক্ষ। এই অভিযানের মাধ্যমে তারা বিশ্বজুড়ে কথিত পলাতক চীনা নাগরিকদের শনাক্ত করে। বিচারের জন্য তাঁদের চীনে নেয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যানবিরোধী, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, ভিন্নমতাবলম্বী ও সমালোচকদের ধরা হয়। এই অভিযান আইনের শাসন ও আন্তর্জাতিক নিয়মনীতির একটি সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

ডেমারস দাবি করেন, কথিত পলাতক ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাঁদের চীনে ফিরতে বাধ্য করতে একটি চীনা দল যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে। চীনে তাঁরা কারাদণ্ডসহ অবিচারের শিকার হতে পারেন।

করোনাভাইরাস মহামারি নিয়ে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ থেকে এ ধরনের ঘোষণা এল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনাভাইরাস ছড়ানোর জন্য চীনকে দায়ী করে আসছেন।

ডেমারস বলেছেন, গতকাল বুধবার পাঁচজন চীনা এজেন্টকে গ্রেপ্তার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাঁদের বিরুদ্ধে চীনের অবৈধ এজেন্ট হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে নিউইয়র্ক ও নিউজার্সি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয় ক্যালিফোর্নিয়া থেকে।

চীনের এজেন্ট হিসেবে কাজ করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আসামিদের সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

মন্তব্য পড়ুন 0