বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউরোপে করোনাপ্রতিরোধী টিকা নিয়ে নানা সংশয় ও বিলম্বিত সিদ্ধান্তের কারণে আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রায় ৭৫ কোটি মানুষ-অধ্যুষিত মহাদেশের ৭৫ শতাংশ মানুষের মধ্যে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে। ইউরোপে এই মুহূর্তে প্রায় ৪৫ কোটি মানুষের জন্য টিকা দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

জার্মানির টিকা কমিশনের পরিচালক টমাস মের্টেন্স রাইনিসে পোস্ট পত্রিকাটিকে জানিয়েছেন, করোনাপ্রতিরোধী টিকার স্বল্পতার কারণে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা মানুষেরা বেশি করে সংক্রমিত হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, ইউরোপে তৃতীয় ঢেউ ঠেকাতে অনেক আগে থেকে টিকা দেওয়ার কাজ শুরু করা উচিত ছিল।

default-image

জার্মান সরকার করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ওষুধ উদ্ভাবনে আটটি গবেষণা প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে। জার্মানির গবেষণাবিষয়কমন্ত্রী আঞ্জা কার্লিকিজেক বলেছেন, ‘বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই গবেষণা শুরু হবে। এই ধরনের ওষুধ বিকাশের জন্য সাধারণত কয়েক বছর, এমনকি কয়েক দশক সময় লাগলেও করোনাভাইরাস যে সহসা চলে যাবে, তা মনে করার কারণ নেই। কারণ, আমাদের ধরে নিতে হবে যে ভাইরাসটি আমাদের সঙ্গে চলতে থাকবে। এ ছাড়া সবাই টিকা গ্রহণ করতে চান না এবং এই সব টিকা সব ধরনের রোগের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত নয়, সে ক্ষেত্রে ওষুধগুলোরও প্রয়োজন হবে।’

জার্মান প্রেসিডেন্টের উদ্যোগে আজ রোববার বার্লিনে করোনা মহামারিতে প্রথম বছরে মৃতদের জন্য একটি প্রার্থনাসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জার্মানিতে করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত ৭৯ হাজার ৯১৪ জন মারা গেছেন।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন